The Prophet (ﷺ) said, "Allah created Adam in His picture, sixty cubits (about 30 meters) in height. When
He created him, He said (to him), "Go and greet that group of angels sitting there, and listen what they
will say in reply to you, for that will be your greeting and the greeting of your offspring." Adam (went
and) said, 'As-Salamu alaikum (Peace be upon you).' They replied, 'AsSalamu-'Alaika wa
Rahmatullah (Peace and Allah's Mercy be on you) So they increased 'Wa Rahmatullah' The Prophet (ﷺ)
added 'So whoever will enter Paradise, will be of the shape and picture of Adam Since then the
creation of Adam's (offspring) (i.e. stature of human beings is being diminished continuously) to the
present time."
ہم سے یحییٰ بن جعفر نے بیان کیا ، کہا ہم سے عبدالرزاق نے بیان کیا ، ان سے معمر نے ، ان سے ہمام نے اور ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا اللہ تعالیٰ نے آدم کو اپنی صورت پر بنایا ، ان کی لمبائی ساٹھ ہاتھ تھی ۔ جب انہیں پیدا کر چکا تو فرمایا کہ جاؤ اور ان فرشتوں کو جو بیٹھے ہوئے ہیں ، سلام کرو اور سنو کہ تمہارے سلام کا کیا جواب دیتے ہیں ، کیونکہ یہی تمہارا اور تمہاری اولاد کا سلام ہو گا ۔ آدم علیہ السلام نے کہا السلام علیکم ! فرشتوں نے جواب دیا ، السلام علیک ورحمۃ اللہ ، انہوں نے آدم کے سلام پر ” ورحمۃ اللہ “ بڑھا دیا ۔ پس جو شخص بھی جنت میں جائے گا حضرت آدم علیہ السلام کی صورت کے مطابق ہو کر جائے گا ۔ اس کے بعد سے پھر خلقت کا قد وقامت کم ہوتا گیا ۔ اب تک ایسا ہی ہوتا رہا ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা আদাম (আঃ) –কে তাঁর যথাযোগ্য গঠনে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর উচ্চতা ছিল ষাট হাত। তিনি তাঁকে সৃষ্টি করে বললেনঃ তুমি যাও। উপবিষ্ট ফেরেশতাদের এই দলকে সালাম করো এবং তুমি মনোযোগ সহকারে শোনবে তারা তোমার সালামের কী জবাব দেয়? কারণ এটাই হবে তোমার ও তোমার বংশধরের সম্ভাষণ (তাহিয়্যা)। তাই তিনি গিয়ে বললেনঃ ‘আস্সালামু ‘আলাইকুম’। তাঁরা জবাবে বললেনঃ ‘আস্সালামু ‘আলাইকা ওয়া রহমাতুল্লাহ’। তাঁরা বাড়িয়ে বললেনঃ ‘ওয়া রহমাতুল্লাহ’ বাক্যটি। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বললেনঃ যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে তারা আদাম (আঃ) –এর আকৃতি বিশিষ্ট হবে। তারপর থেকে এ পর্যন্ত মানুষের আকৃতি ক্রমশঃ কমে আসছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৮১)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 246
Hadith 6228
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ يَسَارٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ أَرْدَفَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْفَضْلَ بْنَ عَبَّاسٍ يَوْمَ النَّحْرِ خَلْفَهُ عَلَى عَجُزِ رَاحِلَتِهِ، وَكَانَ الْفَضْلُ رَجُلاً وَضِيئًا، فَوَقَفَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِلنَّاسِ يُفْتِيهِمْ، وَأَقْبَلَتِ امْرَأَةٌ مِنْ خَثْعَمَ وَضِيئَةٌ تَسْتَفْتِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَطَفِقَ الْفَضْلُ يَنْظُرُ إِلَيْهَا، وَأَعْجَبَهُ حُسْنُهَا، فَالْتَفَتَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَنْظُرُ إِلَيْهَا، فَأَخْلَفَ بِيَدِهِ فَأَخَذَ بِذَقَنِ الْفَضْلِ، فَعَدَلَ وَجْهَهُ عَنِ النَّظَرِ إِلَيْهَا، فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ فَرِيضَةَ اللَّهِ فِي الْحَجِّ عَلَى عِبَادِهِ أَدْرَكَتْ أَبِي شَيْخًا كَبِيرًا، لاَ يَسْتَطِيعُ أَنْ يَسْتَوِيَ عَلَى الرَّاحِلَةِ، فَهَلْ يَقْضِي عَنْهُ أَنْ أَحُجَّ عَنْهُ قَالَ
" نَعَمْ ".
Narrated `Abdullah bin `Abbas:
Al-Fadl bin `Abbas rode behind the Prophet (ﷺ) as his companion rider on the back portion of his she
camel on the Day of Nahr (slaughtering of sacrifice, 10th Dhul-Hijja) and Al-Fadl was a handsome
man. The Prophet (ﷺ) stopped to give the people verdicts. In the meantime, a beautiful woman From the
tribe of Khath'am came, asking the verdict of Allah's Messenger (ﷺ). Al-Fadl started looking at her as her
beauty attracted him. The Prophet (ﷺ) looked behind while Al-Fadl was looking at her; so the Prophet (ﷺ)
held out his hand backwards and caught the chin of Al-Fadl and turned his face (to the owner sides in
order that he should not gaze at her. She said, "O Allah's Messenger (ﷺ)! The obligation of Performing Hajj
enjoined by Allah on His worshipers, has become due (compulsory) on my father who is an old man
and who cannot sit firmly on the riding animal. Will it be sufficient that I perform Hajj on his behalf?"
He said, "Yes."
ہم سے ابو الیمان نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو شعیب نے خبر دی ، ان سے زہری نے بیان کیا ، انہیں سلیمان بن یسار نے خبر دی اور انہیں حضرت عبداللہ بن عباس رضی اللہ عنہما نے خبر دی ، انہوں نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے حضرت فضل بن عباس رضی اللہ عنہماکو قربانی کے دن اپنی سواری پر اپنے پیچھے بٹھایا ۔ وہ خوبصورت گورے مرد تھے ۔ حضور اکرم صلی اللہ علیہ وسلم لوگو ں کو مسائل بتانے کے لئے کھڑے ہو گئے ۔ اسی دوران میں قبیلہ خثعم کی ایک خوبصورعورت بھی آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے مسئلہ پوچھنے آئی ۔ فضل بھی اس عورت کو دیکھنے لگے ۔ اس کا حسن وجمال ان کو بھلامعلوم ہوا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے مڑکر دیکھا تو فضل اسے دیکھ رہے تھے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے اپناہاتھ پیچھے لے جا کر فضل کی ٹھوڑی پکڑی اور ان کا چہرہ دوسری طرف کر دیا ۔ پھر اس عورت نے کہا ، یا رسول اللہ حج کے بارے میں اللہ کا جو اپنے بندوں پر فریضہ ہے وہ میرے والد پر لاگوہوتا ہے ، جو بہت بوڑھے ہو چکے ہیں اور سواری پر سیدھے نہیں بیٹھ سکتے ۔ کیا اگر میں ان کی طرف سے حج کر لو ں تو ان کا حج ادا ہو جائے گا ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ ہاں ہو جائے گا ۔
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ একবার কুরবানীর দিনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) –কে আপন সওয়ারীর পিঠে নিজের পেছনে বসালেন। ফায্ল একজন সুপুরুষ ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকেদের মাসাআলা মাসায়িল বলে দেয়ার জন্য আসলেন। এ সময় খাশ’আম গোত্রের এক সুন্দরী নারী রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট একটা মাসাআলা জিজ্ঞেস করার জন্য আসল। তখন ফায্ল (রাঃ) তার দিকে তাকাতে লাগলেন। মহিলাটির সৌন্দর্য তাঁকে আকৃষ্ট করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায্ল (রাঃ) –এর দিকে ফিরে দেখলেন যে, ফায্ল (রাঃ) তাঁর দিকে তাকাচ্ছেন। তিনি নিজের হাত পেছনের দিকে নিয়ে ফায্ল (রাঃ) –এর চিবুক ধরে ঐ নারীর দিকে না তাকানোর জন্য তার মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন। [২০] এরপর স্ত্রীলোকটি জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে তাঁর বান্দাদের উপর যে হাজ্জ ফরয হবার বিধান দেয়া হয়েছে, আমার পিতার উপর তা এমন অবস্থায় এসেছে যে, বৃদ্ধ হবার কারণে সওয়ারীর উপরে বসতে তিনি অক্ষম। যদি আমি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ আদায় করে নেই, তবে কি তার পক্ষ থেকে তা আদায় হয়ে যাবে? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হাঁ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৮২)
The Prophet (ﷺ) said, 'Beware! Avoid sitting on the roads." They (the people) said, "O Allah s Apostle!
We can't help sitting (on the roads) as these are (our places) here we have talks." The Prophet (ﷺ) said, ' l f
you refuse but to sit, then pay the road its right ' They said, "What is the right of the road, O Allah's
Apostle?" He said, 'Lowering your gaze, refraining from harming others, returning greeting, and
enjoining what is good, and forbidding what is evil."
ہم سے عبداللہ بن محمد نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو ابوعامر نے خبر دی ، انہوں نے کہا ہم سے زہیر نے بیان کیا ، ان سے زید بن اسلم نے بیان کیا ، ان سے عطاء بن یسار نے بیان کیا اور ان سے ابو سعید خدری رضی اللہ عنہ نے بیان کیاکہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا راستوں پر بیٹھنے سے بچو ! صحابہ نے عرض کیا یا رسول اللہ ! ہماری یہ مجلس تو بہت ضروری ہیں ، ہم وہیں روزمرہ گفتگو کیا کرتے ہیں ۔ آپ نے فرمایا کہ اچھا جب تم ان مجلسوں میں بیٹھنا ہی چاہتے ہو تو راستے کا حق ادا کیا کرویعنی راستے کو اس کا حق دو ۔ صحابہ نے عرض کیا ، راستے کا حق کیا ہے یا رسول اللہ ! فرمایا ( غیرمحرم عورتوں کو دیکھنے سے ) نظرنیچی رکھنا ، راہ گیروں کو نہ ستانا ، سلام کا جواب دینا ، بھلائی کا حکم دینا اور برائی سے روکنا ۔
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা রাস্তায় বসা থেকে বিরত থাকো। তারা বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের রাস্তায় বসা ব্যতীত গত্যন্তর নেই, আমরা সেখানে কথাবার্তা বলি। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি তোমাদের রাস্তায় মজলিস করা ব্যতীত উপায় না থাকে, তবে তোমরা রাস্তার হক আদায় করবে। তারা বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! রাস্তার হক কী? তিনি বললেন, তা হলো চক্ষু অবনত রাখা, কাউকে কষ্ট দেয়া থেকে বিরত থাকা। সালামের জবাব দেয়া এবং সৎকাজের নির্দেশ দেয়া আর অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৮৩)
When we prayed with the Prophet (ﷺ) we used to say: As-Salam be on Allah from His worshipers, As-
Salam be on Gabriel, As-Salam be on Michael, As-Salam be on so-and-so. When the Prophet (ﷺ) finished
his prayer, he faced us and said, "Allah Himself is As-Salam (Peace), so when one sits in the prayer,
one should say, 'at-Tahiyatu-li l-lahi Was-Salawatu, Wat-Taiyibatu, As-Salamu 'Alaika aiyuhan-
Nabiyyu wa Rah-matul-iahi wa Barakatuhu, As-Salamu 'Alaina wa 'ala 'Ibadillahi assalihin, for if he
says so, then it will be for all the pious slave of Allah in the Heavens and the Earth. (Then he should
say), 'Ash-hadu an la ilaha illalllahu wa ash-hadu anna Muhammadan `Abduhu wa rasulu-hu,' and
then he can choose whatever speech (i.e. invocation) he wishes " (See Hadith No. 797, Vol. 1).
ہم سے عمر بن حفص نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ہمارے والد نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے اعمش نے بیان کیا ، انہوں نے کہا کہ مجھ سے شقیق نے بیان کیا اور ان سے عبداللہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
جب ہم ( ابتداء اسلام میں ) نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے ساتھ نماز پڑھتے تو کہتے ” سلام ہو اللہ پر اس کے بندوں سے پہلے ، سلام ہو جبرائیل پر ، سلام ہو میکائیل پر ، سلام ہو فلاں پر ، پھر ( ایک مرتبہ ) جب آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نماز سے فارغ ہوئے تو ہماری طرف متوجہ ہو کر فرمایا کہ اللہ ہی سلام ہے ۔ اس لئے جب تم میں سے کوئی نماز میں بیٹھے تو ” التحیات للہ والصلوات والطیبات السلام علیک ایھا النبی ورحمۃ اللہ وبرکاتہ السلام علیناوعلی عباد اللہ الصالحین ۔ “ الخ پڑھا کرے ۔ کیونکہ جب وہ یہ دعا پڑہے گا تو آسمان و زمین کے ہر صالح بندے کو اس کی یہ دعا پہنچے گی ۔ ” اشہد ان لا الٰہ الا اللہ واشہد ان محمد ا عبدہ ورسولہ “ اس کے بعد اسے اختیار ہے جو دعا چاہے پڑھے ۔ ( مگر یہ درود شریف پڑھنے کے بعد ہے )
‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ যখন আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে সালাত আদায় করছিলাম, তখন আমরা আল্লাহর প্রতি তাঁর বান্দাদের পক্ষ থেকে সালাম, জিব্রীল ‘আ.)-এর প্রতি সালাম, মীকাঈল (‘আ.)-এর প্রতি সালাম এবং অমুকের প্রতি সালাম দিলাম। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করে, আমাদের দিকে তাঁর চেহারা ফিরিয়ে বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলা নিজেই ‘সালাম’। অতএব যখন তোমাদের কেউ সালাতের মধ্যে বসবে, তখন বলবেঃ
التَّحِيَّاتُ لله وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِينَ
মুসল্লী যখন এ কথাটা বলবে, তখনই আসমান যমীনে সব নেক বান্দাদের নিকট এ সালাম পৌঁছে যাবে। তারপর বলবে أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُه” وَرَسُوْلُه”
তারপর সে তার পছন্দমত দু‘আ বেছে নেবে। [৮৩১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৮৪)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 249
Hadith 6231
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ أَبُو الْحَسَنِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" يُسَلِّمُ الصَّغِيرُ عَلَى الْكَبِيرِ، وَالْمَارُّ عَلَى الْقَاعِدِ، وَالْقَلِيلُ عَلَى الْكَثِيرِ ".
Narrated Abu Huraira:
The Prophet (ﷺ) said, "The young should greet the old, the passer by should greet the sitting one, and the
small group of persons should greet the large group of persons. "
ہم سے محمد بن مقاتل ابوالحسن نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو عبداللہ نے خبر دی ، انہوں نے کہا ہم کومعمر نے خبر دی ، انہیں ہمام بن منبہ نے اور انہیں حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا چھوٹا بڑے کو سلام کرے ، گزرنے والا بیٹھنے والے کو سلام کرے اور چھوٹی جماعت بڑی جماعت کو پہلے سلام کرے ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বয়োকনিষ্ঠ বয়োজ্যেষ্ঠকে, পদচারী উপবিষ্টকে এবং অল্প সংখ্যক অধিক সংখ্যককে সালাম দিবে। [৬২৩২, ৬২৩৩,৬২৩৪; মুসলিম ৩৯/১, হাঃ ২১৬০, হাঃ ১০৬২৯] (আ. প্র. ৫৭৯০, ই. ফা. ৫৬৮৫)
Allah's Messenger (ﷺ) said, "The riding one should greet the walking one, and the walking one should greet
the sitting one, and the small number of persons should greet the large number of persons."
ہم سے محمد نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو مخلد نے خبر دی ، انہوں نے کہا ہم کو ابن جریج نے خبر دی ، انہوں نے کہا کہ مجھے زیاد نے خبر دی ، انہوں نے عبدالرحمٰن بن زید کے غلام ثابت سے سنا ، اور انہوں نے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ سے سنا ۔ انہوں نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا سوار پیدل چلنے والے کو سلام کرے ، پیدل چلنے والا بیٹھے ہوئے کو اورکم تعداد والے بڑی تعدا د والوں کو ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আরোহী পদচারীকে, পদচারী উপবিষ্টকে এবং অল্প সংখ্যক অধিক সংখ্যককে সালাম দিবে। [৬২৩১] (আ. প্র. ৫৭৯১, ই. ফা. ৫৬৮৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 251
Hadith 6233
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي زِيَادٌ، أَنَّ ثَابِتًا، أَخْبَرَهُ ـ وَهْوَ، مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدٍ ـ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ
" يُسَلِّمُ الرَّاكِبُ عَلَى الْمَاشِي وَالْمَاشِي عَلَى الْقَاعِدِ، وَالْقَلِيلُ عَلَى الْكَثِيرِ ".
Narrated Abu Huraira:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "The riding person should greet the walking one,
and the walking one should greet the sitting one, and the small number
of persons should greet the large number of persons."
ہم سے اسحاق بن ابراہیم نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کوروح بن عبادہ نے خبر دی ، انہوں نے کہا ہم سے ابن جریج نے بیان کیا ، انہوں نے کہا کہ
مجھے زیاد نے خبر دی ، انہیں ثابت نے خبر دی جو عبدالرحمٰن بن زید کے غلام ہیں ۔ اور انہیں حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے خبر دی کہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ، سوار پیدل چلنے والے کو سلام کرے ، پیدل چلنے والا بیٹھے ہوئے شخص کو اور چھوٹی جماعت پہلے بڑی جماعت کو سلام کرے ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আরোহী পদচারীকে, পদচারী উপবিষ্টকে এবং অল্প সংখ্যক অধিক সংখ্যককে সালাম দিবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৮৭)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 252
Hadith 6234
وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
" يُسَلِّمُ الصَّغِيرُ عَلَى الْكَبِيرِ، وَالْمَارُّ عَلَى الْقَاعِدِ، وَالْقَلِيلُ عَلَى الْكَثِيرِ ".
Narrated Abu Huraira:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "The younger person should greet the older one,
and the walking person should greet the sitting one, and the small
number of persons should greet the large number of persons."
اور ابراہیم بن طہمان نے بیان کیا ، انہوں نے کہا کہ ہم سے موسیٰ بن عقبہ نے بیان کیا ، ان سے صفوان بن سلیم نے بیان کیا ، ان سے عطاء بن یسار نے بیان کیا اور ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا چھوٹا بڑے کو سلام کرے ، گزرنے والا بیٹھنے والے کواور کم تعدا د والے بڑی تعداد والوں کو ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বয়োকনিষ্ঠ বয়োজ্যেষ্ঠকে, পদচারী উপবিষ্টকে এবং অল্প সংখ্যক অধিক সংখ্যককে সালাম দিবে।(আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- অনুচ্ছেদ)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 252
Hadith 6235
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ سُوَيْدِ بْنِ مُقَرِّنٍ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِسَبْعٍ بِعِيَادَةِ الْمَرِيضِ، وَاتِّبَاعِ الْجَنَائِزِ، وَتَشْمِيتِ الْعَاطِسِ، وَنَصْرِ الضَّعِيفِ، وَعَوْنِ الْمَظْلُومِ، وَإِفْشَاءِ السَّلاَمِ، وَإِبْرَارِ الْمُقْسِمِ، وَنَهَى عَنِ الشُّرْبِ فِي الْفِضَّةِ، وَنَهَانَا عَنْ تَخَتُّمِ الذَّهَبِ، وَعَنْ رُكُوبِ الْمَيَاثِرِ، وَعَنْ لُبْسِ الْحَرِيرِ، وَالدِّيبَاجِ، وَالْقَسِّيِّ، وَالإِسْتَبْرَقِ.
Narrated Al-Bara' bin 'Azib:
Allah's Messenger (ﷺ) ordered us to do seven (things): to visit the sick, to
follow the funeral processions, to say Tashmit to a sneezer, to help
the weak, to help the oppressed ones, to propagate As-Salam
(greeting), and to help others to fulfill their oaths (if it is not
sinful). He forbade us to drink from silver utensils, to wear gold
rings, to ride on silken saddles, to wear silk clothes, Dibaj (thick
silk cloth), Qassiy and Istabraq (two kinds of silk). (See
Hadith No. 539, Vol. 7)
ہم سے قتیبہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے جریر نے بیان کیا ، ان سے شیبانی نے ، ان سے اشعث بن ابی الشعثاء نے ، ان سے معاویہ بن سوید بن مقرن نے اور ان سے براء بن عازب رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے ہمیں سات باتوں کاحکم دیا تھا ۔ بیمار کی مزاج پرسی کرنے کا ، جنازے کے پیچھے چلنے کا ، چھینکنے والے کے جواب دینے کا ۔ کمزور کی مدد کرنے کا ، مظلوم کی مدد کرنے کا ، افشاء سلام ( سلام کا جواب دینے اور بکثرت سلام کرنے ) کا قسم ( حق ) کھانے والے کی قسم پوری کرنے کا ، اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے چاندی کے برتن میں پینے سے منع فرمایا تھا اور سونے کی انگوٹھی پہننے سے ہمیں منع فرمایا تھا ۔ میثر ( ریشم کی زین ) پر سوار ہونے سے ، ریشم اور دیباج پہننے ، قسی ( ریشمی کپڑا ) اور استبرق پہننے سے ( منع فرمایا تھا ) ۔
বারাআ ইব্নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন সাতটি কাজেরঃ রোগীর খোঁজ-খবর নেয়া, জানাযার সঙ্গে যাওয়া, হাঁচি দাতার জন্য দু’আ করা, দুর্বলকে সাহায্য করা, মাযলূমের সাহায্য করা, সালাম প্রসার করা এবং কসমকারীর কসম পূর্ণ করা। আর নিষেধ করেছেন (সাতটি কাজ থেকে): রূপার পাত্রে পানাহার, স্বর্ণের আংটি পরিধান, রেশমী যিনের উপর সাওয়ার হওয়া, মিহিন রেশমী বস্ত্র পরিধান, পাতলা রেশম বস্ত্র ব্যবহার, রেশম মিশ্রিত কাতান বস্ত্র পরিধান এবং গাঢ় রেশমী বস্ত্র পরিধান করা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৮৮)
A man asked the Prophet, "What Islamic traits are the best?" The
Prophet said, "Feed the people, and greet those whom you know and
those whom you do not know."
ہم سے عبداللہ بن یوسف نے بیان کیا ، کہا ہم سے لیث بن سعد نے بیان کیا ، کہا کہ مجھ سے یزید نے بیان کیا ، ان سے ابوالخیر نے ، ان سے عبداللہ بن عمر و رضی اللہ عنہ نے کہ
ایک صاحب نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے پوچھا اسلام کی کون سی حالت افضل ہے ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا یہ کہ ( مخلوق خدا کو ) کھا نا کھلاؤاورسلام کرو ، اسے بھی جسے تم پہچانتے ہو اور اسے بھی جسے نہیں پہچانتے ۔
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করলঃ ইসলামে কোন কাজ উত্তম? তিনি বললেনঃ তুমি ক্ষুধার্তকে অন্ন দেবে, আর সালাম দেবে যাকে তুমি চেন আর যাকে চেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৮৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 253
Hadith 6237
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" لاَ يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يَهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاَثٍ، يَلْتَقِيَانِ فَيَصُدُّ هَذَا، وَيَصُدُّ هَذَا، وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلاَمِ ". وَذَكَرَ سُفْيَانُ أَنَّهُ سَمِعَهُ مِنْهُ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ.
Narrated Abu Aiyub:
The Prophet (ﷺ) said, "It is not lawful for a Muslim to desert (not to speak to) his brother Muslim for more
than three days while meeting, one turns his face to one side and the other turns his face to the other
side. Lo! The better of the two is the one who starts greeting the other."
ہم سے علی بن عبداللہ نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے سفیان نے بیان کیا ، ان سے زہری نے بیان کیا ، ان سے عطاء بن یزید لیثی نے اور ان سے ابوایوب رضی اللہ عنہ نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کسی مسلمان کے لئے جائز نہیں کہ وہ اپنے کسی ( مسلمان ) بھائی سے تین دن سے زیادہ تعلق کاٹے کہ جب وہ ملیں تو یہ ایک طرف منہ پھیرلے اور دوسرا دوسری طرف اور دونوں میں اچھا وہ ہے جو سلام پہلے کرے ۔ اور سفیان نے کہا کہ انہوں نے یہ حدیث زہری سے تین مرتبہ سنی ہے ۔
আবূ আইউব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেনঃ কোন মুসলিমের পক্ষে তার কোন ভাইয়ের সাথে তিন দিনের অধিক এমনভাবে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা বৈধ নয় যে, তাদের দু’জনের দেখা সাক্ষাৎ হলেও একজন এদিকে, আরেকজন অন্যদিকে চেহারা ঘুরিয়ে নেয়। তাদের মধ্যে উত্তম ঐ ব্যক্তি যে প্রথম সালাম করবে। আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) বলেন যে, এ হাদীসটি আমি যুহ্রী (রহঃ) থেকে তিনবার শুনেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 254
Hadith 6238
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّهُ كَانَ ابْنَ عَشْرِ سِنِينَ مَقْدَمَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ، فَخَدَمْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَشْرًا حَيَاتَهُ، وَكُنْتُ أَعْلَمَ النَّاسِ بِشَأْنِ الْحِجَابِ حِينَ أُنْزِلَ، وَقَدْ كَانَ أُبَىُّ بْنُ كَعْبٍ يَسْأَلُنِي عَنْهُ، وَكَانَ أَوَّلَ مَا نَزَلَ فِي مُبْتَنَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِزَيْنَبَ ابْنَةِ جَحْشٍ، أَصْبَحَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِهَا عَرُوسًا فَدَعَا الْقَوْمَ، فَأَصَابُوا مِنَ الطَّعَامِ ثُمَّ خَرَجُوا، وَبَقِيَ مِنْهُمْ رَهْطٌ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَطَالُوا الْمُكْثَ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَخَرَجَ وَخَرَجْتُ مَعَهُ كَىْ يَخْرُجُوا، فَمَشَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَمَشَيْتُ مَعَهُ حَتَّى جَاءَ عَتَبَةَ حُجْرَةِ عَائِشَةَ، ثُمَّ ظَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُمْ خَرَجُوا فَرَجَعَ وَرَجَعْتُ مَعَهُ، حَتَّى دَخَلَ عَلَى زَيْنَبَ فَإِذَا هُمْ جُلُوسٌ لَمْ يَتَفَرَّقُوا، فَرَجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرَجَعْتُ مَعَهُ، حَتَّى بَلَغَ عَتَبَةَ حُجْرَةِ عَائِشَةَ، فَظَنَّ أَنْ قَدْ خَرَجُوا، فَرَجَعَ وَرَجَعْتُ مَعَهُ، فَإِذَا هُمْ قَدْ خَرَجُوا، فَأُنْزِلَ آيَةُ الْحِجَابِ، فَضَرَبَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ سِتْرًا.
Narrated Anas bin Malik:
that he was a boy of ten at the time when the Prophet (ﷺ) emigrated to Medina. He added: I served Allah's
Apostle for ten years (the last part of his life time) and I know more than the people about the
occasion whereupon the order of Al-Hijab was revealed (to the Prophet). Ubai b n Ka`b used to ask
me about it. It was revealed (for the first time) during the marriage of Allah's Messenger (ﷺ) with Zainab bint
Jahsh. In the morning, the Prophet (ﷺ) was a bride-groom of her and he Invited the people, who took their
meals and went away, but a group of them remained with Allah's Messenger (ﷺ) and they prolonged their
stay. Allah's Messenger (ﷺ) got up and went out, and I too, went out along with him till he came to the lintel
of `Aisha's dwelling place. Allah's Messenger (ﷺ) thought that those people had left by then, so he returned,
and I too, returned with him till he entered upon Zainab and found that they were still sitting there and
had not yet gone. The Prophet (ﷺ) went out again, and so did I with him till he reached the lintel of
`Aisha's dwelling place, and then he thought that those people must have left by then, so he returned,
and so did I with him, and found those people had gone. At that time the Divine Verse of Al-Hijab
was revealed, and the Prophet (ﷺ) set a screen between me and him (his family).
ہم سے یحییٰ بن سلیمان نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابن وہب نے بیان کیا ، کہا مجھ کو یونس نے خبر دی ، انہیں ابن شہاب نے کہا کہ مجھے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے خبر دی کہ
جب رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم مدینہ منورہ ( ہجرت کر کے ) تشریف لائے تو ان کی عمر دس سال تھی ۔ پھر میں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی زندگی کے باقی دس سالوںمیں آپ کی خدمت کی اور میں پردہ کے حکم کے متعلق سب سے زیادہ جانتا ہوں کہ کب نازل ہوا تھا ۔ ابی بن کعب رضی اللہ عنہ مجھ سے اس کے بارے میں پوچھا کرتے تھے ۔ پردہ کے حکم کانزول سب سے پہلے اس رات ہوا جس میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے زینب بنت جحش ر ضی اللہ عنہا سے نکاح کے بعد ان کے ساتھ پہلی خلوت کی تھی ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم ان کے دولہا تھے اور آپ نے صحابہ کو دعوت ولیمہ پر بلایا تھا ۔ کھانے سے فارغ ہو کر سب لوگ چلے گئے لیکن چند آدمی آپ کے پاس بیٹھے رہ گئے اور بہت دیر تک وہیں ٹھہرے رہے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اٹھ کر باہر تشریف لے گئے اور میں بھی آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے ساتھ چلا گیا تاکہ وہ لوگ بھی چلے جائیں ۔ آنحضرت چلتے رہے اور میں بھی آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے ساتھ چلتا رہا اور سمجھا کہ وہ لوگ اب چلے گئے ہیں ۔ اس لئے واپس تشریف لائے اور میں بھی آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے ساتھ واپس آیا لیکن آپ جب زینب رضی اللہ عنہا کے حجرے میں داخل ہوئے تو وہ لوگ ابھی بیٹھے ہوئے تھے اور ابھی تک واپس نہیں گئے تھے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم دوبارہ وہاں سے لوٹ گئے اور میں بھی آپ کے ساتھ لوٹ گیا ۔ جب آپ عائشہ رضی اللہ عنہا کے حجرہ کی چوکھٹ تک پہنچے تو آپ نے سمجھا کہ وہ لوگ نکل چکے ہوں گے ۔ پھر آپ لوٹ کر آئے اور میں بھی آپ کے ساتھ لوٹ آیا تو واقعی وہ لوگ جا چکے تھے ۔ پھر پردہ کی آیت نازل ہوئی اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے میرے اور اپنے درمیان پردہ لٹکا لیا ۔
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, রসূলুল্লাহ (রাঃ) যখন মদিনায় আসলেন, তখন তাঁর (বর্ণনাকারীর) বয়স ছিল দশ বছর। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর জীবনের দশটি বছর আমি তাঁর খিদমত করি। আর পর্দার বিধান ব্যাপারে আমি সব চেয়ে অধিক অবগত ছিলাম, যখন তা অবতীর্ণ হয়। উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) প্রায়ই আমাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতেন। যাইনাব বিনত জাহ্শ (রাঃ)- এর সঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাসরের দিনে প্রথম পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নতুন দুলহা হিসেবে সে দিন লোকেদের দা‘ওয়াত করেন এবং এরপর অনেকেই দা’ওয়াত খেয়ে বেরিয়ে যান। কিন্তু কয়েকজন তাঁর কাছে রয়ে যান এবং তাদের অবস্থান দীর্ঘায়িত করেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়িয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যান এবং আমিও তাঁর সঙ্গে যাই, যাতে তারা বের হয়ে যায়। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে চলি। এমনকি তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ) –এর ঘরের দরজায় এসে পৌঁছেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাবলেন যে, নিশ্চয়ই তারা বেরিয়ে গেছে। তখন তিনি ফিরে আসেন আর তাঁর সঙ্গে আমিও ফিরে আসি। তিনি যাইনাব (রাঃ) –এর ঘরে প্রবেশ করে দেখেন যে, তারা তখনও বসেই আছেন, চলে যায়নি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে গেলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে ফিরে গেলাম। এমনকি তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)- এর দরজার চৌকাঠ পর্যন্ত এসে পৌছেন। এরপর তিনি ভাবলেন যে, এখন তারা অবশ্যই বেরিয়ে গেছে। তাই তিনি ফিরে এসে দেখেন যে, তারা বেরিয়ে গেছে। এ সময় পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয় এবং তিনি তাঁর ও আমার মধ্যে পর্দা টেনে দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯১)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 255
Hadith 6239
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، قَالَ أَبِي حَدَّثَنَا أَبُو مِجْلَزٍ، عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ لَمَّا تَزَوَّجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم زَيْنَبَ دَخَلَ الْقَوْمُ فَطَعِمُوا، ثُمَّ جَلَسُوا يَتَحَدَّثُونَ فَأَخَذَ كَأَنَّهُ يَتَهَيَّأُ لِلْقِيَامِ فَلَمْ يَقُومُوا، فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ قَامَ، فَلَمَّا قَامَ قَامَ مَنْ قَامَ مِنَ الْقَوْمِ وَقَعَدَ بَقِيَّةُ الْقَوْمِ، وَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَاءَ لِيَدْخُلَ، فَإِذَا الْقَوْمُ جُلُوسٌ، ثُمَّ إِنَّهُمْ قَامُوا فَانْطَلَقُوا فَأَخْبَرْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَجَاءَ حَتَّى دَخَلَ، فَذَهَبْتُ أَدْخُلُ فَأَلْقَى الْحِجَابَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ، وَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَدْخُلُوا بُيُوتَ النَّبِيِّ} الآيَةَ.
قَالَ أَبُو عَبْد اللَّهِ فِيهِ مِنْ الْفِقْهِ أَنَّهُ لَمْ يَسْتَأْذِنْهُمْ حِينَ قَامَ وَخَرَجَ وَفِيهِ أَنَّهُ تَهَيَّأَ لِلْقِيَامِ وَهُوَ يُرِيدُ أَنْ يَقُومُوا
Narrated Anas:
When the Prophet (ﷺ) married Zainab, the people came and were offered a meal, and then they sat down
(after finishing their meals) and started chatting. The Prophet (ﷺ) showed as if he wanted to get up, but
they did not get up. When he noticed that, he got up, and some of the people also got up and went
away, while some others kept on sitting. When the Prophet (ﷺ) returned to enter, he found the people still
sitting, but then they got up and left. So I told the Prophet (ﷺ) of their departure and he came and went in.
I intended to go in but the Prophet (ﷺ) put a screen between me and him, for Allah revealed:-- 'O you who
believe! Enter not the Prophet's houses..' (33.53)
ہم سے ابو النعمان نے بیان کیا ، کہا ہم سے معتمر نے بیان کیا ، کہامجھ سے میرے والد نے بیان کیا کہ ان سے ابو مجلز نے بیان کیا اور ان سے انس رضی اللہ عنہ نے بیان کیاکہ
جب نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے زینب رضی اللہ عنہا سے نکاح کیا تو لوگ اندر آئے اور کھانا کھایا پھر بیٹھ کے باتیں کرتے رہے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے اس طرح اظہار کیا گویا آپ کھڑے ہونا چاہتے ہیں ۔ لیکن وہ کھڑے نہیں ہوئے جب آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے یہ دیکھا تو کھڑے ہو گئے ۔ آپ کے کھڑے ہونے پر قوم کے جن لوگوں کوکھڑا ہونا تھا وہ بھی کھڑے ہو گئے لیکن بعض لوگ اب بھی بیٹھے رہے اور جب آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اندر داخل ہونے کے لئے تشریف لائے توکچھ لوگ بیٹھے ہوئے تھے ( آپ واپس ہو گئے ) اور پھر جب وہ لوگ بھی کھڑے ہوئے اور چلے گئے تو میں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کو اس کی اطلاع دی ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم تشریف لائے اور اندر داخل ہو گئے ۔ میں نے بھی اندر جانا چاہا لیکن آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے میرے اور اپنے درمیان پردہ ڈال لیا ۔ اور اللہ تعالیٰ نے یہ آیت نازل کی ۔ ” اے ایمان والو ! نبی کے گھر میں نہ داخل ہو “ آخر تک ۔
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাইনাব (রাঃ) –কে বিয়ে করলেন, তখন একদল (মেহমান) তাঁর ঘরে এসে খাওয়া-দাওয়া করলেন। এরপর তাঁরা ঘরে বসেই আলাপ-আলোচনা করতে লাগলেন। তিনি দাঁড়ালে কিছু লোক উঠে বেরিয়ে গেলেন। কিন্তু অবশিষ্ট কিছু লোক বসেই থাকলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘরে প্রবেশ করার জন্য ফিরে এসে দেখলেন যে, তারা বসেই আছেন। কিছুক্ষন পরে তারা উঠে চলে গেলেন। তারপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ওদের চলে যাবার খবর দিলে তিনি এসে প্রবেশ করলেন। তখন আমি ভেতরে যাওয়ার ইচ্ছে করলে তিনি আমার ও তাঁর মাঝখানে পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। এ সময় আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে ইমানদারগণ! তোমরা নবীর ঘরগুলোতে প্রবেশ করো না”। ...... শেষ পর্যন্ত। (সূরাহ আল-আহযাবঃ ৫৩)(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯২)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 256
Hadith 6240
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ كَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَقُولُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم احْجُبْ نِسَاءَكَ. قَالَتْ فَلَمْ يَفْعَلْ، وَكَانَ أَزْوَاجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَخْرُجْنَ لَيْلاً إِلَى لَيْلٍ قِبَلَ الْمَنَاصِعِ، خَرَجَتْ سَوْدَةُ بِنْتُ زَمْعَةَ، وَكَانَتِ امْرَأَةً طَوِيلَةً فَرَآهَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَهْوَ فِي الْمَجْلِسِ فَقَالَ عَرَفْتُكِ يَا سَوْدَةُ. حِرْصًا عَلَى أَنْ يُنْزَلَ الْحِجَابُ. قَالَتْ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ آيَةَ الْحِجَابِ.
Narrated `Aisha:
(the wife of the Prophet) `Umar bin Al-Khattab used to say to Allah's Messenger (ﷺ) "Let your wives be
veiled" But he did not do so. The wives of the Prophet (ﷺ) used to go out to answer the call of nature at
night only at Al-Manasi.' Once Sauda, the daughter of Zam`a went out and she was a tall woman.
`Umar bin Al-Khattab saw her while he was in a gathering, and said, "I have recognized you, O
Sauda!" He (`Umar) said so as he was anxious for some Divine orders regarding the veil (the veiling
of women.) So Allah revealed the Verse of veiling. (Al-Hijab; a complete body cover excluding the
eyes). (See Hadith No. 148, Vol. 1)
ہم سے اسحاق نے بیان کیا ، کہا ہم کو یعقوب نے خبر دی ، مجھ سے میرے والد نے بیان کیا ، ا ن سے صالح نے ، ان سے ابن شہاب نے بیان کیا ، کہا کہ مجھے عروہ بن زبیر نے خبر دی اور ان سے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی زوجہ مطہرہ عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیاکہ
عمر بن خطاب رضی اللہ عنہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے کہا کرتے تھے کہ آنحضور صلی اللہ علیہ وسلم ازواج مطہرا ت کا پردہ کرائیں ۔ بیان کیا کہ آنحضور صلی اللہ علیہ وسلم نے ایسا نہیں کیا اور ازواج مطہرات رفع حاجت کے لئے صرف رات ہی کے وقت نکلتی تھیں ( اس وقت گھروں میں بیت الخلاء نہیں تھے ) ایک مرتبہ سودہ بنت زمعہ رضی اللہ عنہاباہر گئی ہوئی تھیں ۔ ان کا قد لمبا تھا ۔ حضرت عمر بن خطاب رضی اللہ عنہ نے انہیں دیکھا ۔ اس وقت وہ مجلس میں بیٹھے ہوئے تھے ۔ انہوں نے کہا سودہ میں نے آپ کوپہچان لیا یہ انہوں نے اس لئے کہا کیونکہ وہ پردہ کے حکم نازل ہونے کے بڑے متمنی تھے ۔ بیان کیا کہ پھر اللہ تعالیٰ نے پردہ کی آیت نازل کی ۔
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ থেকে বর্ণিতঃ যে, ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট প্রায়ই বলতেন যে , আপনি আপনার স্ত্রীদের পর্দা করান। কিন্তু তিনি তা করেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রীগণ প্রাকৃতিক প্রয়োজনে রাতে মাঠের দিকে বাইরে যেতেন। একবার সাওদাহ বিন্ত যাম‘আহ (রাঃ) বেরিয়ে গেলেন। তিনি ছিলেন দীর্ঘাঙ্গী মহিলা। ‘উমার (রাঃ) মজলিসে উপস্থিত ছিলেন। তাই তিনি পর্দার নির্দেশ অবতীর্ণ হবার আগ্রহে বললেনঃ ওহে সাওদাহ! আমি আপনাকে চিনে ফেলেছি। তখন আল্লাহ তা’আলা পর্দার আয়াত নাযিল করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৩)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 257
Hadith 6241
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ الزُّهْرِيُّ حَفِظْتُهُ كَمَا أَنَّكَ هَا هُنَا عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ اطَّلَعَ رَجُلٌ مِنْ جُحْرٍ فِي حُجَرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِدْرًى يَحُكُّ بِهِ رَأْسَهُ فَقَالَ
" لَوْ أَعْلَمُ أَنَّكَ تَنْظُرُ لَطَعَنْتُ بِهِ فِي عَيْنِكَ، إِنَّمَا جُعِلَ الاِسْتِئْذَانُ مِنْ أَجْلِ الْبَصَرِ ".
Narrated Sahl bin Sa`d:
A man peeped through a round hole into the dwelling place of the Prophet, while the Prophet (ﷺ) had a
Midray (an iron comb) with which he was scratching his head. the Prophet (ﷺ) said, " Had known you
were looking (through the hole), I would have pierced your eye with it (i.e., the comb)." Verily! The
order of taking permission to enter has been enjoined because of that sight, (that one should not look
unlawfully at the state of others). (See Hadith No. 807, Vol. 7)
ہم سے علی بن عبداللہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے سفیان نے ، ان سے زہری نے بیان کیا ( سفیان نے کہا کہ ) میں نے یہ حدیث زہری سے سن کراس طرح یاد کی ہے کہ جیسے تو اس وقت یہاں موجود ہو اور ان سے سہل بن سعد نے کہ
ایک شخص نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے کسی حجرہ میں سوراخ سے دیکھا ، آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے پاس اس وقت ایک کنگھاتھاجس سے آپ سرمبارک کھجا رہے تھے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے اس سے فرمایا کہ اگر مجھے معلوم ہوتا کہ تم جھانک رہے ہو تو یہ کنگھا تمہاری آنکھ میں چبھو دیتا ( اندر داخل ہونے سے پہلے ) اجازت مانگنا توہے ہی اسلئے کہ ( اندر کی کوئی ذاتی چیز ) نہ دیکھی جائے ۔
সাহ্ল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ একবার এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কোন এক হুজরায় উঁকি দিয়ে তাকালো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে একটা ‘মিদরা’ ছিল, যা দিয়ে তিনি তাঁর মাথা চুলকাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ যদি আমি জানতাম যে , তুমি উঁকি দিবে, তবে এ দিয়ে তোমার চোখ ফুঁড়ে দিতাম। তাকানোর জন্য অনুমতি গ্রহনের বিধান দেয়া হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৪)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 258
Hadith 6242
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَجُلاً، اطَّلَعَ مِنْ بَعْضِ حُجَرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَامَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِمِشْقَصٍ ـ أَوْ بِمَشَاقِصَ ـ فَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَيْهِ يَخْتِلُ الرَّجُلَ لِيَطْعُنَهُ.
Narrated Anas bin Malik:
A man peeped into a room of the Prophet. The Prophet (ﷺ) stood up, holding an arrow head. It is as if I
am just looking at him, trying to stab the man.
ہم سے مسدد نے بیان کیا ، کہا ہم سے حما د بن زید نے بیان کیا ، ان سے عبیداللہ بن ابی بکر نے اور ان سے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے کہ
ایک صاحب نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے کسی حجرہ میں جھانک کر دیکھنے لگے تو آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم ان کی طرف تیر کا پھل یا بہت سے پھل لے کر بڑھے ، گویا میں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کو دیکھ رہا ہوں ان صاحب کی طرف اس طرح چپکے چپکے تشریف لائے ۔
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে , একবার জনৈক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর এক কক্ষে উঁকি দিল। তখন তিনি একটা তীর ফলক কিংবা তীর ফলকসমূহ নিয়ে তার দিকে দৌড়ালেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ তা যেন আমি এখনও দেখছি। তিনি ঐ লোকটির চোখ ফুঁড়ে দেয়ার জন্য তাকে খুঁজছিলেন। [৬৮৮৯, ৬৯০০; মুসলিম ৩৮/৯, হাঃ ২১৫৭, আহমাদ ১৩৫০৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৫)
I have not seen a thing resembling 'lamam' (minor sins) than what Abu Huraira 'narrated from the
Prophet who said "Allah has written for Adam's son his share of adultery which he commits
inevitably. The adultery of the eyes is the sight (to gaze at a forbidden thing), the adultery of the
tongue is the talk, and the inner self wishes and desires and the private parts testify all this or deny it."
ہم سے حمیدی نے بیان کیا ، کہا ہم سے سفیان نے بیان کیا ، ان سے ابن طاؤس نے ، ان سے ان کے والد نے اور ان سے ابن عباس رضی اللہ عنہما نے بیان کیاکہ
ابوہریرہ رضی اللہ عنہ کی حدیث سے زیادہ صغیرہ گناہوں سے مشابہ میں نے اور کوئی چیز نہیں دیکھی ۔ ( حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے جو باتیں بیان کی ہیں وہ مراد ہیں ) مجھ سے محمود نے بیان کیا ، کہا ہم سے عبدالرزاق نے خبر دی ، کہا ہم کو معمر نے خبر دی ، انہیں ابن طاؤس نے ، انہیں ان کے والد نے اور ان سے ابن عباس رضی اللہ عنہمانے کہ میں نے کوئی چیز صغیرہ گناہوں سے مشابہ اس حدیث کے مقابلہ میں نہیں دیکھی جسے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے نقل کیا ہے کہ اللہ تعالیٰ نے انسانوں کے معاملہ میں زنا میں سے اس کا حصہ لکھ دیا ہے جس سے وہ لامحالہ دوچار ہو گا پس آنکھ کا زنا دیکھنا ہے ، زبان کا زنا بولنا ہے ، دل کا زنا یہ ہے کہ وہ خواہش اور آرزو کرتا ہے پھر شرمگاہ اس خواہش کو سچا کرتی ہے یا جھٹلا دیتی ہے ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা বানী আদামের জন্য যিনার একটা অংশ নির্ধারিত রেখেছেন। সে তাতে অবশ্যই জড়িত হবে। চোখের জিনা হলো দেখা, জিহ্বার জিনা হলো কথা বলা, কুপ্রবৃত্তি কামনা ও খাহেশ সৃষ্টি করা এবং যৌনাঙ্গ তা সত্য অথবা মিথ্যা প্রমাণ করে। [২১][মুসলিম ৪৬/৫, হাঃ ২৬৫৭, আহমাদ ৮২২২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 260
Hadith 6244
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ثُمَامَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا سَلَّمَ سَلَّمَ ثَلاَثًا، وَإِذَا تَكَلَّمَ بِكَلِمَةٍ أَعَادَهَا ثَلاَثًا.
Narrated Anas:
Whenever Allah's Messenger (ﷺ) greeted somebody, he used to greet him three times, and if he spoke a
sentence, he used to repeat it thrice.
ہم سے اسحٰق نے بیان کیا کہا ہم کو عبدالصمد نے خبر دی ، انہیں عبداللہ بن مثنی نے خبر دی ان سے ثمامہ بن عبداللہ نے بیان کیا اور ان سے انس رضی اللہ عنہ نے کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم جب کسی کو سلام کرتے ( اور جواب نہ ملتا ) تو تین مرتبہ سلام کرتے تھے اور جب آپ کوئی بات فرماتے تو ( زیادہ سے زیادہ ) تین مرتبہ اسے دہراتے ۔
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে ,নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সালাম করতেন , তখন তিনবার সালাম দিতেন এবং যখন কথা বলতেন তখন তিনবার তার পুনরাবৃত্তি করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৭)
While I was present in one of the gatherings of the Ansar, Abu Musa came as if he was scared, and
said, "I asked permission to enter upon `Umar three times, but I was not given the permission, so I
returned." (When `Umar came to know about it) he said to Abu Musa, "Why did you not enter?'. Abu
Musa replied, "I asked permission three times, and I was not given it, so I returned, for Allah's Messenger (ﷺ)
said, "If anyone of you asks the permission to enter thrice, and the permission is not given, then he
should return.' " `Umar said, "By Allah! We will ask Abu Musa to bring witnesses for it." (Abu Musa
went to a gathering of the Ansar and said). "Did anyone of you hear this from the Prophet (ﷺ) ?" Ubai bin
Ka`b said, "By Allah, none will go with you but the youngest of the people (as a witness)." (Abu
Sa`id) was the youngest of them, so I went with Abu Musa and informed `Umar that the Prophet (ﷺ) had
said so. (See Hadith No. 277, Vol. 3)
ہم سے علی بن عبداللہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے سفیان نے بیان کیا ، کہا ہم سے یزید بن خصیفہ نے بیان کیا ان سے بسر بن سعید اور ان سے ابو سعید خدری رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
میں انصار کی ایک مجلس میں تھا کہ ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ تشریف لائے جیسے گھبرائے ہوئے ہوں ۔ انہوں نے کہا کہ میں عمر رضی اللہ عنہ کے یہاں تین مرتبہ اندر آنے کی اجازت چاہی لیکن مجھے کوئی جواب نہیں ملا ، اس لئے واپس چلا آیا ( حضرت عمر رضی اللہ عنہ کو معلوم ہوا ) تو انہوں نے دریافت کیا کہ ( اندر آنے میں ) کیا بات مانع تھی ؟ میں نے کہا کہ میں نے تین مرتبہ اندر آنے کی اجازت مانگی اور جب مجھے کوئی جواب نہیں ملا تو واپس چلا گیا اور رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ہے کہ : جب تم میں سے کوئی کسی سے تین مرتبہ اجازت چاہے اور اجا زت نہ ملے تو واپس چلاجانا چاہئے حضرت عمر رضی اللہ عنہ نے کہا واللہ ! تمہیں اس حدیث کی صحت کے لئے کوئی گوا ہ لاناہو گا ۔ ( ابوموسیٰ رضی اللہ عنہ نے مجلس والوں سے پوچھا ) کیا تم میں کوئی ایسا ہے جس نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے یہ حدیث سنی ہو ؟ ابی بن کعب رضی اللہ عنہ نے کہا کہ اللہ کی قسم ! تمہارے ساتھ ( اس کی گواہی دینے کے سوا ) جماعت میں سب سے کم عمر شخص کے کوئی اور نہیں کھڑا ہو گا ۔ ابوسعید نے کہا اور میں ہی جماعت کا وہ سب سے کم عمر آدمی تھا میں ان کے ساتھ اٹھ کھڑا ہو گیا اور عمر رضی اللہ عنہ سے کہا کہ واقعی نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے ایسا فرمایا ہے ۔ اور ابن مبارک نے بیان کیا کہ مجھ کو سفیان بن عیینہ نے خبر دی ، کہا مجھ سے یزید بن خصیفہ نے بیان کیا ، انہوں نے بسر بن سعید سے ، کہا میں نے ابوسعید رضی اللہ عنہ سے سنا پھر یہی حدیث نقل کی ۔
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার আমি আনসারদের এক মজলিসে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় হঠাৎ আবূ মূসা (রাঃ) ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে এসে বললেনঃ আমি তিনবার ‘উমার (রাঃ)- এর নিকট অনুমতি চাইলাম, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হল না। তাই আমি ফিরে এলাম। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমাকে ভেতরে প্রবেশ করতে কিসে বাধা দিল? আমি বললামঃ আমি প্রবেশের জন্য তিনবার অনুমতি চাইলাম, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হলো না। তাই আমি ফিরে এলাম। (কারণ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তোমাদের কেউ তিনবার প্রবেশের অনুমতি চায়। কিন্তু তাতে অনুমতি দেয়া না হয় তবে সে যেন ফিরে যায়। তখন উমার (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! তোমাকে এ কথার উপর অবশ্যই প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি সবাইকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমাদের মাঝে কেউ আছে কি যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এ হাদীস শুনেছে? তখন উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! আপনার কাছে প্রমাণ দিতে দলের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তিই উঠে দাঁড়াবে। আর আমি দলের সর্বকনিষ্ঠ ছিলাম। সুতরাং আমি তাঁর সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে বললামঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অবশ্যই এ কথা বলেছেন।
ইবনু মুবারাক বলেন, আবূ সা’ঈদ হতে ভিন্ন একটি সূত্রেও অনুরূপ একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। [২০৬২; মুসলিম ৩৮/৭, হাঃ ২১৫৩, আহমাদ ১৯৬৩০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 262
Hadith 6246
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ ذَرٍّ،. وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ ذَرٍّ، أَخْبَرَنَا مُجَاهِدٌ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ دَخَلْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَوَجَدَ لَبَنًا فِي قَدَحٍ فَقَالَ
" أَبَا هِرٍّ الْحَقْ أَهْلَ الصُّفَّةِ فَادْعُهُمْ إِلَىَّ ". قَالَ فَأَتَيْتُهُمْ فَدَعَوْتُهُمْ، فَأَقْبَلُوا فَاسْتَأْذَنُوا فَأُذِنَ لَهُمْ، فَدَخَلُوا.
Narrated Abu Huraira:
I entered (the house) along with Allah's Messenger (ﷺ) . There he found milk in a basin. He said, "O Abu
Hirr! Go and call the people of Suffa to me." I went to them and invited them. They came and asked
permission to enter, and when it was given, they entered. (See Hadith No. 459 for details)
ہم سے ابونعیم نے بیان کیا ، کہا ہم سے عمر بن ذر نے بیان کیا ( دوسری سند ) اور ہم سے محمد بن مقاتل نے بیان کیا ، کہا ہم کو عبداللہ نے خبر دی ، کہا ہم کو مجاہد نے خبر دی ، اور ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے ساتھ ( آپ کے گھر میں ) داخل ہوا آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے ایک بڑے پیا لے میں دودھ پایا تو فرمایا ، ابوہریرہ ! اہل صفہ کے پاس جا اور انہیں میرے پاس بلا لا ۔ میں ان کے پاس آیا اور انہیں بلا لایا ۔ وہ آئے اور ( اندر آنے کی ) اجازت چاہی پھر جب ا جازت دی گئی تو داخل ہوئے ۔ باب اور حدیث میں مطابقت ظاہر ہے ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ একদিন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে তাঁর ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি ঘরে গিয়ে একটি পেয়ালায় দুধ পেলেন। তিনি আমাকে বললেনঃ হে আবূ হির! তুমি আহলে সুফ্ফার নিকট গিয়ে তাদের আমার নিকট ডেকে আন। তখন আমি তাদের কাছে গিয়ে দা’ওয়াত দিয়ে এলাম। তারপর তারা এসে প্রবেশের অনুমতি চাইলে তাদের অনুমতি দেয়া হলো। তারপর তারা প্রবেশ করল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 263
Hadith 6247
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَيَّارٍ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه أَنَّهُ مَرَّ عَلَى صِبْيَانٍ فَسَلَّمَ عَلَيْهِمْ وَقَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَفْعَلُهُ.
Narrated Anas bin Malik:
that he passed by a group of boys and greeted them and said, "The Prophet (ﷺ) used to do so."
ہم سے علی بن الجعد نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کوشعبہ نے خبر دی ، انہیں سیار نے انہوں نے ثابت بنانی سے روایت کی ، انہیں انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے کہ
آپ بچوں کے پاس سے گزرے تو انہیں سلام کیا اور فرمایا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم بھی ایسا ہی کرتے تھے ۔
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, একবার তিনি একদল শিশুর পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করা কালে তিনি তাদের সালাম করে বললেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও তা করতেন।[মুসলিম ৩৯/৫, হাঃ ২১৬৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০০)
Sahl said, "We used to feel happy on Fridays." I asked Sahl, "Why?" He said, "There was an old
woman of our acquaintance who used to send somebody to Buda'a (Ibn Maslama said, "Buda'a was a
garden of date-palms at Medina). She used to pull out the silq (a kind of vegetable) from its roots and
put it in a cooking pot, adding some powdered barley over it (and cook it). After finishing the Jumua
(Friday) prayer we used to (pass by her and) greet her, whereupon she would present us with that
meal, so we used to feel happy because of that. We used to have neither a midday nap, nor meals,
except after the Friday prayer." (See Hadith No. 60, Vol.2)
ہم سے عبداللہ بن مسلمہ قعنبی نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابن ابی حازم نے ان سے ان کے والد نے اور ان سے سہل رضی اللہ عنہ نے کہ
ہم جمعہ کے دن خوش ہوا کرتے تھے ۔ میں نے عرض کی کس لئے ؟ فرمایا کہ ہماری ایک بڑھیا تھیں جو مقا م بضاعہ جایا کرتی تھیں ۔ ابن سلمہ نے کہا کہ بضاعہ مدینہ منورہ کا کھجور کا ایک باغ تھا ۔ پھر وہ وہاں سے چقندر لایا کرتی تھیں اور اسے ہانڈی میں ڈالتی تھیں اور جو کے کچھ دانے پیس کر ( اس میں ملاتی تھیں ) جب ہم جمعہ کی نماز پڑھ کر واپس ہوتے تو انہیں سلام کرنے آتے اور وہ یہ چقندر کی جڑ میں آٹا ملی ہوئی دعوت ہمارے سامنے رکھتی تھیں ہم اس وجہ سے جمعہ کے دن خوش ہوا کرتے تھے اور قیلولہ یا دوپہر کا کھانا ہم جمعہ کے بعد کرتے تھے ۔
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা জুমু’আহর দিনে খুশি হতাম। রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললামঃ কেন? তিনি বললেনঃ আমাদের একজন বৃদ্ধা মহিলা ছিল। সে কোন লোককে ‘বুদাআ’ নামক খেজুর বাগানে পাঠিয়ে বীট চিনির শিকড় আনতো। তা একটি হাঁড়িতে দিয়ে সে তাতে কিছুটা যবের দানা দিয়ে ঘুঁটে এক রকম খাবার তৈরি করতো। এরপর আমরা যখন জুমু’আহর সলাত আদায় করে ফিরতাম, তখন আমরা ঐ মহিলাকে সালাম দিতাম। তখন সে আমাদের ঐ খাবার পরিবেশন করতো। আমরা এজন্য খুশি হতাম। আমাদের নিয়ম ছিল যে, আমরা জুমু’আহর পরেই মধ্যাহ্ন ভোজন ও মধ্যাহ্ন বিশ্রাম করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০১)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 265
Hadith 6249
حَدَّثَنَا ابْنُ مُقَاتِلٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
" يَا عَائِشَةُ هَذَا جِبْرِيلُ يَقْرَأُ عَلَيْكِ السَّلاَمَ ". قَالَتْ قُلْتُ وَعَلَيْهِ السَّلاَمُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ، تَرَى مَا لاَ نَرَى. تُرِيدُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم. تَابَعَهُ شُعَيْبٌ. وَقَالَ يُونُسُ وَالنُّعْمَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ وَبَرَكَاتُهُ.
Narrated `Aisha:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "O `Aisha! This is Gabriel sending his greetings to you." I said, "Peace, and
Allah's Mercy be on him (Gabriel). You see what we do not see." (She was addressing Allah's
Apostle).
ہم سے ابن مقاتل نے بیان کیا ، کہا ہم کو عبداللہ نے خبر دی ، کہا ہم کو معمر نے خبر دی انہیں زہری نے انہیں ابوسلمہ بن عبدالرحمٰن نے اور ان سے حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ، اے عائشہ ! یہ جبرائیل ہیں تمہیں سلام کہتے ہیں بیان کیا کہ میں نے عرض کیا وعلیہ السلا م و رحمت اللہ ، آپ دیکھتے ہیں جو ہم نہیں دیکھ سکتے ام المؤمنین کا اشارہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی طرف تھا ۔ معمر کے ساتھ اس حدیث کو شعیب اور یونس اور نعمان نے بھی زہری سے روایت کیا ہے یونس اور نعمان کی روایتوں میں و برکاتہ کا لفظ زیادہ ہے
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! ইনি জিবরীল (আঃ) তোমাকে সালাম দিচ্ছেন। তখন আমিও বললামঃ ওয়া আলাইহিস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর উদ্দেশ্যে বললেনঃ আমরা যা দেখছি না, তা আপনি দেখছেন। ইউনুস ও নু’মান যুহরী সূত্রে বলেন, এবং ‘বারাকাতুহু’ –ও বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০২)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 266
Hadith 6250
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرًا ـ رضى الله عنه ـ يَقُولُ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي دَيْنٍ كَانَ عَلَى أَبِي فَدَقَقْتُ الْبَابَ فَقَالَ " مَنْ ذَا ". فَقُلْتُ أَنَا. فَقَالَ " أَنَا أَنَا ". كَأَنَّهُ كَرِهَهَا.
Narrated Jabir:
I came to the Prophet (ﷺ) in order to consult him regarding my father's debt. When I knocked on the door,
he asked, "Who is that?" I replied, "I" He said, "I, I?" He repeated it as if he disliked it.
ہم سے ابو الولید ہشام بن عبدالملک نے بیان کیا ، کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ، ان سے محمد بن منکدر نے کہا کہ میں نے حضرت جابر رضی اللہ عنہ سے سنا ، وہ بیان کرتے تھے کہ
میں نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں اس قرض کے بارے میں حاضر ہوا جو میرے والد پر تھا ۔ میں دروازہ کھٹکھٹایا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے دریافت فرمایا ، کون ہیں ؟ میں نے کہا ” میں “ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا ” میں “ ” میں “ جیسے آپ نے اس جواب کو ناپسند فرمایا ۔
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ জাবির (রাঃ) বলেন, আমার পিতার কিছু ঋণ ছিল। এ সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলাম এবং দরজায় আঘাত করলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ কে? আমি বললামঃ আমি। তখন তিনি বললেনঃ আমি আমি, যেন তিনি তা অপছন্দ করলেন। [২১২৭; মুসলিম ৩৮/৮, হাঃ ২১৫৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৩)
A man entered the mosque while Allah's Messenger (ﷺ) was sitting in one side of the mosque. The man
prayed, came, and greeted the Prophet. Allah's Messenger (ﷺ) said to him, "Wa 'Alaikas Salam (returned his
greeting). Go back and pray as you have not prayed (properly)." The man returned, repeated his
prayer, came back and greeted the Prophet. The Prophet (ﷺ) said, "Wa alaika-s-Salam (returned his
greeting). Go back and pray again as you have not prayed (properly)." The man said at the second or
third time, "O Allah's Messenger (ﷺ)! Kindly teach me how to pray". The Prophet (ﷺ) said, "When you stand for
prayer, perform ablution properly and then face the Qibla and say Takbir (Allahu-Akbar), and then
recite what you know from the Qur'an, and then bow with calmness till you feel at ease then rise from
bowing, till you stand straight, and then prostrate calmly (and remain in prostration) till you feel at
ease, and then raise (your head) and sit with calmness till you feel at ease and then prostrate with
calmness (and remain in prostration) till you feel at ease, and then raise (your head) and sit with
calmness till you feel at ease in the sitting position, and do likewise in whole of your prayer." And
Abu Usama added, "Till you stand straight." (See Hadith No. 759, Vol.1)
ہم سے اسحٰق بن منصور نے بیان کیا انہوں نے کہا ہم کو عبداللہ بن نمیر نے خبر دی ، ان سے عبیداللہ نے بیان کیا ، ان سے سعید بن ابی سعید مقبری نے بیان کیا اور ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
ایک شخص مسجد میں داخل ہوا ، رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم مسجد کے کنارے بیٹھے ہوئے تھے ۔ اس نے نماز پڑھی اور پھر حاضر ہو کر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کو سلام کیا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فر مایا ” علیک السلام “ واپس جا اور دوبارہ نماز پڑھ ، کیو نکہ تم نے نماز نہیں پڑھی ۔ وہ واپس گئے اور نماز پڑھی ۔ پھر ( نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم ) کے پاس آئے اور سلام کیا آپ نے فرمایا وعلیک السلام ۔ واپس جاؤ پھر نماز پڑھو ۔ کیو نکہ تم نے نماز نہیں پڑھی ۔ وہ واپس گیا اور اس نے پھر نماز پڑھی ۔ پھر واپس آیا اور نبی اکرم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں سلام عرض کیا ۔ آپ صلی اللہ علیہ وسلم نے جواب میں فر مایا وعلیکم السلام ۔ واپس جاؤ اور دو بارہ نمازپڑھو ۔ کیو نکہ تم نے نماز نہیں پڑھی ۔ ان صاحب نے دوسر ی مرتبہ ، یا اس کے بعد ، عرض کیا یا رسول اللہ ! مجھے نماز پڑھنی سکھا دیجئیے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فر مایا جب نماز کے لیے کھڑے ہواکرو تو پہلے پو ری طرح وضو کیا کرو ، پھر قبلہ رو ہو کر تکبیر ( تحریمہ ) کہو ، اس کے بعد قر آن مجید میں سے جو تمہارے لئے آسان ہو وہ پڑھو ، پھر رکوع کرو اور جب رکوع کی حالت میں برابر ہو جاؤ تو سر اٹھاؤ ۔ جب سیدھے کھڑے ہو جاؤ تو پھر سجدہ میں جاؤ ، جب سجدہ پو ری طرح کر لو تو سر اٹھاؤ اور اچھی طرح سے بیٹھ جاؤ ۔ یہی عمل اپنی ہر رکعت میں کرو ۔ اور ابواسامہ راوی نے دوسرے سجدہ کے بعد یوں کہا پھر سر اٹھا یہاں تک کہ سید ھا کھڑا ہو جا ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ এক ব্যক্তি মাসজিদে প্রবেশ করলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাসজিদের একপার্শ্বে উপবিষ্ট ছিলেন। সে সলাত আদায় করে এসে তাঁকে সালাম করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ওয়া আলাইকাস সালাম; তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় করো। কারণ তুমি সলাত আদায় করো নি। সে ফিরে গিয়ে সালাত আদায় করে এসে আবার সালাম করল। তিনি বললেনঃ ওয়া আলাইকাস সালাম; তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় করো। কারণ তুমি সালাত আদায় করোনি। সে ফিরে গিয়ে সালাত আদায় করে তাঁকে সালাম করল। তখন সে দ্বিতীয় বারে অথবা তার পরের বারে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি আমাকে সালাত শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ যখন তুমি সালাতে দাঁড়ানোর ইচ্ছে করবে, তখন প্রথমে তুমি যথানিয়মে অযূ করবে। তারপর কিবলামুখী দাঁড়িয়ে তাকবীর বলবে। তারপর কুরআন থেকে যে অংশ তোমার পক্ষে সহজ হবে, তা তিলাওয়াত করবে। তারপর তুমি রুকূ’ করবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর মাথা তুলে ঠিক সোজা হয়ে দাঁড়াবে। তারপর সাজদাহ করবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর আবার মাথা তুলে বসবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর ঠিক এভাবেই তোমার সালাতের যাবতীয় কাজ সমাধা করবে। আবূ উসামাহ (রাঃ) বলেন, এমনকি শেষে তুমি সোজা হয়ে দণ্ডায়মান হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৪)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 268
Hadith 6252
حَدَّثَنَا ابْنُ بَشَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي سَعِيدٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
" ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ جَالِسًا ".
Narrated Abu Huraira:
The Prophet (ﷺ) said (in the above narration No. 268), "And then raise your head till you feel at ease
while sitting. "
ہم سے ابن بشار نے بیان کیا ، کہا کہ مجھ سے یحییٰ نے بیان کیا ، ان سے عبیداللہ نے ، ان سے سعید نے بیان کیا ، ان سے ان کے والد نے اور ان سے حضر ت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فر مایا ، پھر سر سجدہ سے اٹھا اور اچھی طرح بیٹھ جا ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তারপর উঠে বস ধীরস্থিরভাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 269
Hadith 6253
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ، قَالَ سَمِعْتُ عَامِرًا، يَقُولُ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ حَدَّثَتْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهَا
" إِنَّ جِبْرِيلَ يُقْرِئُكِ السَّلاَمَ ". قَالَتْ وَعَلَيْهِ السَّلاَمُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ.
Narrated `Aisha:
That the Prophet (ﷺ) said to her, "Gabriel sends Salam (greetings) to you." She replied, "Wa 'alaihi-s-
Salam Wa Rahmatu-l-lah." (Peace and Allah's Mercy be on him).
ہم سے ابونعیم نے بیان کیا ، کہا ہم سے زکریا نے بیان کیا ، کہا کہ میں نے عامر سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ مجھ سے ابوسلمہ بن عبدالرحمٰن نے بیان کیا اور ان سے حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے اس سے فرمایا کہ جبرائیل علیہ السلام تمہیں سلام کہتے ہیں ۔ عائشہ رضی اللہ عنہا نے کہا کہ ” وعلیہ السلام ورحمۃ اللہ ۔ ان پر بھی اللہ کی طرف سے سلامتی اور اس کی رحمت نازل ہو ۔
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ জিবরীল (‘আঃ) তোমাকে সালাম দিয়েছেন। তখন তিনি বললেনঃ ওয়া আলাইহিস্ সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৬)
Usama bin Zaid said, "The Prophet (ﷺ) rode over a donkey with a saddle underneath which there was a
thick soft Fadakiya velvet sheet. Usama bin Zaid was his companion rider, and he was going to pay a
visit to Sa`d bin Ubada (who was sick) at the dwelling place of Bani Al-Harith bin Al-Khazraj, and
this incident happened before the battle of Badr. The Prophet (ﷺ) passed by a gathering in which there
were Muslims and pagan idolators and Jews, and among them there was `Abdullah bin Ubai bin Salul,
and there was `Abdullah bin Rawaha too. When a cloud of dust raised by the animal covered that
gathering, `Abdullah bin Ubai covered his nose with his Rida (sheet) and said (to the Prophet), "Don't
cover us with dust." The Prophet (ﷺ) greeted them and then stopped, dismounted and invited them to
Allah (i.e., to embrace Islam) and also recited to them the Holy Qur'an. `Abdullah bin Ubai' bin Salul
said, "O man! There is nothing better than what you say, if what you say is the truth. So do not trouble
us in our gatherings. Go back to your mount (or house,) and if anyone of us comes to you, tell (your
tales) to him." On that `Abdullah bin Rawaha said, "(O Allah's Messenger (ﷺ)!) Come to us and bring it(what
you want to say) in our gatherings, for we love that." So the Muslims, the pagans and the Jews started
quarreling till they were about to fight and clash with one another. The Prophet (ﷺ) kept on quietening
them (till they all became quiet). He then rode his animal, and proceeded till he entered upon Sa`d bin
'Ubada, he said, "O Sa`d, didn't you hear what Abu Habbab said? (He meant `Abdullah bin Ubai). He
said so-and-so." Sa`d bin 'Ubada said, "O Allah's Messenger (ﷺ)! Excuse and forgive him, for by Allah,
Allah has given you what He has given you. The people of this town decided to crown him (as their
chief) and make him their king. But when Allah prevented that with the Truth which He had given
you, it choked him, and that was what made him behave in the way you saw him behaving." So the
Prophet excused him.
ہم سے ابراہیم بن موسیٰ نے بیان کیا ، کہا ہم کو ہشام بن عروہ نے خبر دی ، انہیں معمر نے ، انہیں زہری نے ، ان سے عروہ بن زبیر نے بیان کیا کہ مجھے اسامہ بن زید رضی اللہ عنہ نے خبر دی کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم ایک گدھے پر سوار ہوئے جس پر پالان بندھا ہوا تھا اور نیچے فد ک کی بنی ہوئی ایک مخملی چادر بچھی ہوئی تھی ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے سواری پر اپنے پیچھے اسامہ بن زید رضی اللہ عنہ کو بٹھایا تھا ۔ آپ بنی حارث بن خزرج میں حضرت سعد بن عبادہ رضی اللہ عنہ کی عیادت کے لئے تشریف لے جا رہے تھے ۔ یہ جنگ بدر سے پہلے کا واقعہ ہے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم ایک مجلس پر سے گزرے جس میں مسلمان بت پرست مشرک اور یہودی سب ہی شریک تھے ۔ عبداللہ بن ابی ابن سلول بھی ان میں تھا ۔ مجلس میں عبداللہ بن رواحہ بھی موجود تھے ۔ جب مجلس پر سواری کا گرد پڑا تو عبداللہ نے اپنی چادر سے اپنی ناک چھپا لی اور کہا کہ ہمارے اوپر غبار نہ اڑاؤ ۔ پھر حضور اکرم صلی اللہ علیہ وسلم نے سلام کیا اور وہاں رک گئے اور اتر کر انہیں اللہ کی طرف بلایا اور ان کے لئے قرآن مجید کی تلاو ت کی ۔ عبداللہ بن ابی ابن سلول بولا ، میاں میں ان باتوں کے سمجھنے سے قاصر ہوں اگر وہ چیز حق ہے جو تم کہتے ہو تو ہماری مجلسوں میں آ کر ہمیں تکلیف نہ دیا کرو ۔ اس پر ابن رواحہ نے کہا آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم ہماری مجلسوں میں تشریف لایا کریں کیونکہ ہم اسے پسند کرتے ہیں ۔ پھر مسلمانوں مشرکوں اور یہودیوں میں اس بات پر تو تو میں میں ہونے لگی اور قریب تھا کہ وہ کوئی ارادہ کربیٹھیں اور ایک دوسرے پر حملہ کر دیں ۔ لیکن آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم انہیں برابر خاموش کراتے رہے اور جب وہ خاموش ہو گئے تو آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اپنی سواری پر بیٹھ کر سعد بن عبادہ رضی اللہ عنہ کے یہاں گئے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے ان سے فرمایا ، سعد تم نے نہیں سنا کہ ابو حباب نے آج کیا بات کہی ہے ۔ آپ کا اشارہ عبداللہ بن ابی کی طرف تھا کہ اس نے یہ یہ باتیں کہی ہیں ۔ حضرت سعد نے عرض کیا کہ یا رسول اللہ ! اسے معاف کر دیجئیے اور درگزر فرمائیے ۔ اللہ تعالیٰ نے وہ حق آپ کو عطا فرمایا ہے جو عطا فرمانا تھا ۔ اس بستی ( مدینہ منورہ ) کے لوگ ( آپ کی تشریف آوری سے پہلے ) اس پر متفق ہو گئے تھے کہ اسے تاج پہنا دیں اور شاہی عمامہ اس کے سر پر باندھ دیں لیکن جب اللہ تعالیٰ نے اس منصوبہ کو اس حق کی وجہ سے ختم کر دیا جو اس نے آپ کو عطا فرمایا ہے تو اسے حق سے حسد ہو گیا اور اسی وجہ سے اس نے یہ معاملہ کیا ہے جو آپ نے دیکھا ۔ چنانچہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے اسے معاف کر دیا ۔
উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এমন একটি গাধার উপর সাওয়ার হলেন, যার জ্বীনের নীচে ফাদাকের তৈরী একখানি চাদর ছিল। তিনি উসামাহ ইবনু যায়দকে নিজের পিছনে বসিয়েছিলেন। তখন তিনি হারিস ইবনু খাযরাজ গোত্রের সা’দ ইবনু উবাদাহ (রাঃ) -এর দেখাশোনার উদ্দেশে রওয়ানা হচ্ছিলেন। এটি ছিল বদর যুদ্ধের আগের ঘটনা। তিনি এমন এক মাজলিসের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যেখানে মুসলিম, প্রতিমাপূজক, মুশরিক ও ইয়াহূদী ছিল। তাদের মধ্যে ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনু সালূলও ছিল। আর এ মাজলিসে ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ)-ও হাজির ছিলেন। যখন সাওয়ারীর পদাঘাতে বিক্ষিপ্ত ধূলাবালি মাজলিসকে ঢেকে ফেলছিল, তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই তার চাদর দিয়ে তার নাক ঢাকল। তারপর বললঃ তোমরা আমাদের উপর ধূলাবালি উড়িয়ো না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের সালাম করলেন। তারপর এখানে থামলেন ও সাওয়ারী থেকে নেমে তাদের আল্লাহ্র প্রতি আহ্বান করলেন এবং তাদের কাছে কুরআন পাঠ করলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনু সালূল বললঃ হে আগন্তুক! আপনার এ কথার চেয়ে সুন্দর আর কিছু নেই। তবে আপনি যা বলছেন, যদিও তা সত্য, তবুও আপনি আমাদের মাজলিসে এসব বলে আমাদের বিরক্ত করবেন না। আপনি আপনার নিজ বাসস্থানে ফিরে যান। এরপর আমাদের মধ্য হতে কোন লোক আপনার নিকট গেলে তাকে এসব কথা বলবেন। তখন ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি আমাদের মাজলিসে আসবেন, আমরা এসব কথা পছন্দ করি। তখন মুসলিম, মুশরিক ও ইয়াহূদীদের মধ্যে পরস্পর গালাগালি শুরু হয়ে গেল। এমনকি তারা একে অন্যের উপর আক্রমণ করতে উদ্যত হল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের নিরস্ত করতে লাগলেন। শেষে তিনি তাঁর সাওয়ারীতে উঠে রওয়ানা হলেন এবং সা’দ ইবনু উবাদাহ্র কাছে পোঁছলেন। তারপর তিনি বললেনঃ হে সা’দ! আবূ হুবাব অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই কী বলেছে, তা কি তুমি শুনোনি? সা’দ (রাঃ) বললেনঃ সে এমন কথাবার্তা বলেছে। তিনি আরো বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি তাকে মাফ করে দিন। আর তার কথা ছেড়ে দিন। আল্লাহ্র শপথ! আল্লাহ্ তা’আলা আপনাকে যেসব নি’য়ামত দান করার ছিল তা সবই দান করেছেন। অন্যদিকে এ শহরের অধিবাসীরা তো পরামর্শ করে স্থির করেছিল যে, তারা তাকে রাজমুকুট পরাবে। আর তার শিরে রাজকীয় পাগড়ী বেঁধে দিবে। কিন্তু আল্লাহ্ তা’আলা আপনাকে যে দ্বীনে হক দান করেছেন, তা দিয়ে তিনি তাদের সিদ্ধান্তকে বাতিল করে দিয়েছেন। ফলে সে (দুঃখের আগুনে) জ্বলছে। এজন্যই সে আপনার সঙ্গে যে ব্যবহার করেছে, তা আপনি নিজেই দেখেছেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে মাফ করে দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৭)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 271
Hadith 6255
حَدَّثَنَا ابْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ كَعْبٍ، قَالَ سَمِعْتُ كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ، يُحَدِّثُ حِينَ تَخَلَّفَ عَنْ تَبُوكَ، وَنَهَى، رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ كَلاَمِنَا، وَآتِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأُسَلِّمُ عَلَيْهِ، فَأَقُولُ فِي نَفْسِي هَلْ حَرَّكَ شَفَتَيْهِ بِرَدِّ السَّلاَمِ أَمْ لاَ حَتَّى كَمَلَتْ خَمْسُونَ لَيْلَةً، وَآذَنَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِتَوْبَةِ اللَّهِ عَلَيْنَا حِينَ صَلَّى الْفَجْرَ.
Narrated `Abdullah bin Ka`b:
I heard Ka`b bin Malik narrating (when he did not join the battle of Tabuk): Allah's Messenger (ﷺ) forbade
all the Muslims to speak to us. I would come to Allah's Messenger (ﷺ) and greet him, and I would wonder
whether the Prophet (ﷺ) did move his lips to return to my greetings or not till fifty nights passed away.
The Prophet (ﷺ) then announced (to the people) Allah's forgiveness for us (acceptance of our repentance)
at the time when he had offered the Fajr (morning) prayer.
ہم سے ابن بکیر نے بیان کیا ، کہا ہم سے لیث بن سعد نے بیان کیا ، ان سے عقیل نے ، ان سے ابن شہاب نے ، ان سے عبدالرحمٰن بن عبداللہ نے اور ان سے عبداللہ بن کعب نے بیان کیا کہ میں نے کعب بن مالک سے سنا ، وہ بیان کرتے تھے کہ
جب وہ غزوہ تبوک میں شریک نہیں ہو سکے تھے اور نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے ہم سے بات چیت کرنے کی ممانعت کر دی تھی اور میں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہو کر سلام کرتا تھا اور یہ اندازہ لگاتاتھا کہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے جواب سلام میں ہونٹ مبارک ہلائے یا نہیں ، آخر پچاس دن گزرگئے اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے اللہ کی بارگاہ میں ہماری توبہ کے قبول کئے جانے کا نماز فجر کے بعد اعلان کیا ۔
আবদুল্লাহ ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবদুল্লাহ ইবনু কা’ব (রাঃ) বলেনঃ যখন কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) তাবূকের যুদ্ধে যোগদান না করে পিছনে রয়ে যান, আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার সাথে সালাম কালাম করতে সকলকে নিষেধ করে দেন। (তখনকার ঘটনা) আমি কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) –কে বলতে শুনেছি যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসতাম এবং তাঁকে সালাম করতাম আর মনে মনে বলতাম যে, আমার সালামের জবাবে তাঁর ঠোঁট দু’টি নড়ছে কিনা। পঞ্চাশ দিন পূর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজরের সালাতের সময় ঘোষণা দিলেন যে, আল্লাহ্ তা’আলা আমাদের তাওবাহ কবূল করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 272
Hadith 6256
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، أَنَّ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ دَخَلَ رَهْطٌ مِنَ الْيَهُودِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا السَّامُ عَلَيْكَ. فَفَهِمْتُهَا فَقُلْتُ عَلَيْكُمُ السَّامُ وَاللَّعْنَةُ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَهْلاً يَا عَائِشَةُ، فَإِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الرِّفْقَ فِي الأَمْرِ كُلِّهِ ". فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَوَلَمْ تَسْمَعْ مَا قَالُوا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فَقَدْ قُلْتُ وَعَلَيْكُمْ ".
Narrated `Aisha:
A group of Jews came to Allah's Messenger (ﷺ) and said, "As-samu 'Alaika " (Death be on you), and I
understood it and said to them, "Alaikum AsSamu wa-l-la'na (Death and curse be on you)." Allah's
Apostle said, "Be calm! O `Aisha, for Allah loves that one should be kind and lenient in all matters." I
said. "O Allah's Messenger (ﷺ)! Haven't you heard what they have said?" Allah's Messenger (ﷺ) said, "I have
(already) said (to them), 'Alaikum (upon you).' "
ہم سے ابو الیمان نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو شعیب نے خبر دی ، انہیں زہری نے ، انہوں نے کہا کہ مجھے عروہ نے خبر دی ، اور ان سے حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیاکہ
کچھ یہودی رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہوئے اور کہا کہ ” السام علیک “ ( تمہیں موت آئے ) میں ان کی بات سمجھ گئی اور میں نے جواب دیا ” علیکم السام واللعنۃ “ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا عائشہ صبر سے کام لے کیونکہ اللہ تعالیٰ تمام معاملات میں نرمی کو پسند کرتا ہے ، میں نے عرض کیا یا رسول اللہ ! کیا آپ نے نہیں سنا کہ انہوں نے کیا کہا تھا ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ میں نے ان کو جواب دے دیا تھا کہ ” وعلیکم “ ( اور تمہیں بھی )
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার একদল ইয়াহূদী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললঃ আস্সামু আলাইকা। (তোমার মরণ হোক)। আমি এ কথার অর্থ বুঝে বললামঃ আলাইকুমুস্ সামু ওয়াল লানাতু। (তোমাদের উপর মৃত্যু ও লা’নাত)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! তুমি থামো। আল্লাহ্ সর্ব হালতে নম্রতা পছন্দ করেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তারা যা বললোঃ তা কি আপনি শুনেননি? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ এ জন্যই আমিও বলেছি, ওয়া আলাইকুম (অর্থাৎ তোমাদের উপরও)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 273
Hadith 6257
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" إِذَا سَلَّمَ عَلَيْكُمُ الْيَهُودُ فَإِنَّمَا يَقُولُ أَحَدُهُمُ السَّامُ عَلَيْكَ. فَقُلْ وَعَلَيْكَ ".
Narrated `Abdullah bin `Umar:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "When the Jews greet you, they usually say, 'As-Samu 'alaikum (Death be on
you),' so you should say (in reply to them), 'Wa'alaikum (And on you).
ہم سے عبداللہ بن یوسف نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو امام مالک نے خبر دی ، انہیں عبداللہ بن دینار نے اور ان سے عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہمانے بیان کیاکہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جب تمہیں یہودی سلام کریں اور اگر ان میں سے کوئی ” السام علیک “ کہے تو تم اس کے جواب میں صرف ” وعلیک “ ( اور تمہیں بھی ) کہہ دیا کرو ۔
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ইয়াহূদী যদি তোমাদের সালাম করে তবে তাদের কেউ অবশ্যই বলবেঃ আস্সামু আলাইকা। তখন তোমরা উত্তরে বলবে ‘ওয়াআলাইকা’। [৬৯২৮; মুসলিম ৩৯/৪, হাঃ ২১৬৪, আহমাদ ৪৬৯৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 274
Hadith 6258
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَنَسٍ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
" إِذَا سَلَّمَ عَلَيْكُمْ أَهْلُ الْكِتَابِ فَقُولُوا وَعَلَيْكُمْ ".
Narrated Anas bin Malik:
the Prophet (ﷺ) said, "If the people of the Scripture greet you, then you should say (in reply), 'Wa'alaikum
(And on you).' "
ہم سے عثمان بن ابی شیبہ نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ہشم نے بیان کیا ، انہیں عبداللہ بن ابی بکر بن انس نے خبر دی ، ان سے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے بیان کیاکہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جب اہل کتاب تمہیں سلام کریں تو تم اس کے جواب میں صرف ” وعلیکم “ کہو ۔
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কোন আহলে কিতাব তোমাদের সালাম দেয়, তখন তোমরা বলবে ওয়া আলাইকুম (তোমাদের উপরও)। [২৯৬২; মুসলিম ৩৯/৪, হাঃ ২১৬৩, আহমাদ ১১৯৪৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১১)
Allah's Messenger (ﷺ) sent me, Az-Zubair bin Al-Awwam and Abu Marthad Al-Ghanawi, and all of us were
horsemen, and he said, "Proceed till you reach Rawdat Khakh, where there is a woman from the
pagans carrying a letter sent by Hatib bin Abi Balta'a to the pagans (of Mecca)." So we overtook her
while she was proceeding on her camel at the same place as Allah's Messenger (ﷺ) told us. We said (to her)
"Where is the letter which is with you?" She said, "I have no letter with me." So we made her camel
kneel down and searched her mount (baggage etc) but could not find anything. My two companions
said, "We do not see any letter." I said, "I know that Allah's Messenger (ﷺ) did not tell a lie. By Allah, if you
(the lady) do not bring out the letter, I will strip you of your clothes' When she noticed that I was
serious, she put her hand into the knot of her waist sheet, for she was tying a sheet round herself, and
brought out the letter. So we proceeded to Allah's Messenger (ﷺ) with the letter. The Prophet (ﷺ) said (to Habib),
"What made you o what you have done, O Hatib?" Hatib replied, "I have done nothing except that I
believe in Allah and His Apostle, and I have not changed or altered (my religion). But I wanted to do
the favor to the people (pagans of Mecca) through which Allah might protect my family and my
property, as there is none among your companions but has someone in Mecca through whom Allah
protects his property (against harm). The Prophet (ﷺ) said, "Habib has told you the truth, so do not say to
him (anything) but good." `Umar bin Al-Khattab said, "Verily he has betrayed Allah, His Apostle, and
the believers! Allow me to chop his neck off!" The Prophet (ﷺ) said, "O `Umar! What do you know;
perhaps Allah looked upon the Badr warriors and said, 'Do whatever you like, for I have ordained that
you will be in Paradise.'" On that `Umar wept and said, "Allah and His Apostle know best."
ہم سے یوسف بن بہلول نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابن ادریس نے بیان کیا ، کہا کہ مجھ سے حصین بن عبدالرحمٰن نے بیان کیا ، ان سے سعد بن عبیدہ نے ، ان سے ابوعبدالرحمن سلمی نے اور ان سے حضرت علی رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے مجھے زبیر بن عوام اور ابو مرثد غنوی کو بھیجا ۔ ہم سب گھوڑ سوار تھے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ جاؤ اور جب ” روضہ خاخ “ ( مکہ اور مدینہ کے درمیان ایک مقام ) پر پہنچو تو وہاں تمہیں مشرکین کی ایک عورت ملے گی اس کے پاس حاطب بن ابی بلتعہ کا ایک خط ہے جو مشرکین کے پاس بھیجا گیا ہے ( اسے لے آؤ ) بیان کیا کہ ہم نے اس عورت کو پا لیا وہ اپنے اونٹ پر جا رہی تھی اور وہیں پر ملی ( جہاں ) آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے بتایا تھا ۔ بیان کیا کہ ہم نے اس سے کہا کہ خط جو تم ساتھ لے جا رہی ہو وہ کہاں ہے ؟ اس نے کہا کہ میرے پاس کوئی خط نہیں ہے ۔ ہم نے اس کے اونٹ کو بٹھایا اور اس کے کجاوہ میں تلاشی لی لیکن ہمیں کوئی چیز نہیں ملی ۔ میرے دونوں ساتھیوں نے کہا کہ ہمیں کوئی خط تو نظر آتا نہیں ۔ بیان کیا کہ میں نے کہا ، مجھے یقین ہے کہ حضور اکرم صلی اللہ علیہ وسلم نے غلط بات نہیں کہی ہے ۔ قسم ہے اس کی جس کی قسم کھائی جاتی ہے ، تم خط نکالوورنہ میں تمہیں ننگا کر دوں گا ۔ بیان کیا کہ جب اس عورت نے دیکھا کہ میں واقعی اس معاملہ میں سنجیدہ ہوں تو اس نے ازارباندھنے کی جگہ کی طرف ہاتھ بڑھایا ، وہ ایک چادر ازار کے طور پر باندھے ہوئے تھی اور خط نکالا ۔ بیان کیا کہ ہم اسے لے کر رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں حاضر ہوئے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے دریافت فرمایا ، حاطب تم نے ایسا کیوں کیا ؟ انہوں نے کہا کہ میں اب بھی اللہ اور اس کے رسول پرایمان رکھتاہوں ۔ میرے اندر کوئی تغیر وتبدیلی نہیں آئی ہے ، میرا مقصد ( خط بھیجنے سے ) صرف یہ تھا کہ ( قریش پر آپ کی فوج کشی کی اطلاع دوں اور اس طرح ) میرا ان لوگوں پر احسان ہو جائے اور اس کی وجہ سے اللہ میرے اہل اور مال کی طرف سے ( ان سے ) مدافعت کرائے ۔ آپ کے جتنے مہاجر صحابہ ہیں ان کے مکہ مکرمہ میں ایسے افرادہیں جن کے ذریعہ اللہ ان کے مال اور ان کے گھر والوں کی حفاظت کرائے گا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا انہوں نے سچ کہ دیا ہے اب تم لوگ ان کے بارے میں سوا بھلائی کے اور کچھ نہ کہو بیان کیا کہ اس پر عمر بن خطاب رضی اللہ عنہ نے فرمایا کہ اس شخص نے اللہ اور اس کے رسول اور مومنوں کے ساتھ خیانت کی مجھے اجازت دیجئیے کہ میں اس کی گردن مار دوں بیان کیا کہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا عمر ! تمہیں کیا معلوم ، اللہ تعالیٰ بدر کی لڑائی میں شریک صحابہ کی زندگی پر مطلع تھا اور اس کے با وجود کہا کہ تم جو چاہو کرو ، تمہارے لئے جنت لکھ دی گئی ہے ؛؛ بیان کیا کہ اس پر عمر رضی اللہ عنہ کی آنکھیں اشک آلود ہو گئیں اور عرض کیا اللہ اور اس کے رسول ہی زیادہ جاننے والے ہیں
আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে ও যুবায়র ইবনু আওয়াম (রাঃ) এবং আবূ মারসাদ গানাভী (রাঃ) –কে অশ্ব বের করে নির্দেশ দিলেন যে, তোমরা রওয়ানা হয়ে যাও এবং ‘রওযায়ে খাখে’ গিয়ে উপস্থিত হও। সেখানে একজন মুশরিক স্ত্রীলোক পাবে। তার কাছে হাতিব ইবনু আবূ বালতার দেয়া মুশরিকদের প্রতি প্রেরিত একখানি পত্র আছে। আমরা ঠিক সেই জায়গাতেই তাকে পেয়ে গেলাম যেখানকার কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন। ঐ স্ত্রী লোকটি তার এক উটের উপর সওয়ার ছিল। আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম যে, তোমার কাছে যে পত্রখানি আছে তা কোথায়? সে বললঃ আমার সাথে কোন পত্র নেই। তখন আমরা তার উটসহ তাকে বসালাম এবং তার সাওয়ারীর আসবাবপত্রের তল্লাশি করলাম। কিন্তু আমরা কিছুই খুঁজে পেলাম না। আমার দু’জন সাথী বললেনঃ পত্রখানা তো পাওয়া গেল না। আমি বললামঃ আমার জানা আছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অনর্থক কথা বলেননি। তখন তিনি স্ত্রী লোকটিকে ধমক দিয়ে বললেনঃ তোমাকে অবশ্যই চিঠিটা বের করে দিতে হবে, নইলে আমি তোমাকে উলঙ্গ করে তল্লাশি চালাব। এরপর সে যখন আমার দৃঢ়তা লক্ষ্য করলো, তখন সে বাধ্য হয়ে তার কোমরে পেঁচানো চাদরে হাত দিয়ে ঐ পত্রখানা বের করে দিলো। তারপর আমরা তা নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে পোঁছলাম। তখন তিনি হাতিব (রাঃ) –কে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে হাতিব! তুমি কেন এমন কাজ করলে? তিনি বললেনঃ আমার মনে এমন কোন খারাপ ইচ্ছে নেই যে, আমি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান ও বিশ্বাস হারিয়ে ফেলি। আমি আমার দৃঢ় মনোভাব পরিবর্তন করিনি এবং আমি দ্বীনও বদল করিনি। এই চিঠি দ্বারা আমার নিছক উদ্দেশ্য ছিল যে, এতে মাক্কাহবাসীদের উপর আমার দ্বারা এমন উপকার হোক, যার ফলে আল্লাহ্ তা’আলা আমার পরিবার ও সম্পদ নিরাপদে রাখবেন। আর সেখানে আপনার অন্যান্য সাহাবীদের এমন লোক আছেন যাঁদের দ্বারা আল্লাহ্ তা’আলা তাদের পরিবার ও সম্পদের নিরাপত্তা দান করবেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বললেনঃ হাতিব ঠিক কথাই বলেছে। সুতরাং তোমরা তাকে ভালো ব্যতীত অন্য কিছুই বলো না। রাবী বলেনঃ ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বললেন, তিনি নিশ্চয় আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল এবং মু’মিনদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। অতএব আমাকে ছেড়ে দিন আমি তাঁর গর্দান উড়িয়ে দেই। রাবী বলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হে ‘উমার! তোমার কি জানা নাই যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা’আলা বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের সম্পর্কে জ্ঞাত আছেন এবং ঘোষণা করেছেন যে, তোমরা যা ইচ্ছে করতে পার। নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য জান্নাত নির্ধারিত হয়ে আছে। রাবী বলেনঃ তখন ‘উমার (রাঃ) –এর দু’চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরতে লাগলো। তিনি বললেন, আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলই সবচেয়ে ভালো জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১২)
that Heraclius had sent for him to come along with a group of the Quraish who were trading in Sha'm,
and they came to him. Then Abu Sufyan mentioned the whole narration and said, "Heraclius asked for
the letter of Allah's Messenger (ﷺ) . When the letter was read, its contents were as follows: 'In the name of
Allah, the Beneficent, the Merciful. From Muhammad, Allah's slave and His Apostle to Heraclius, the
Chief of Byzantines: Peace be upon him who follows the right path (guidance)! Amma ba'du (to
proceed )...' (See Hadith No 6, Vol 1 for details)
ہم سے محمد بن مقاتل ابوالحسن نے بیان کیا انہوں نے کہا ہم کو عبداللہ نے خبر دی انہوں نے کہا ہم کو یونس نے خبر دی اور ان سے زہری نے بیان کیا انہیں عبیداللہ بن عبداللہ بن عتبہ نے خبر دی انہیں حضرت عبداللہ بن عباس رضی اللہ عنہما نے خبر دی اور انہیں ابوسفیان بن حرب رضی اللہ عنہ نے خبر دی کہ
ہرقل نے قریش کے چند افراد کے ساتھ انہیں بھی بلا بھیجا یہ لوگ شام تجارت کی غرض سے گئے تھے سب لوگ ہرقل کے پاس آئے پھر انہوں نے واقعہ بیان کیا کہ پھر ہرقل نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کا خط منگوایا اور وہ پڑھا گیا خط میں یہ لکھا ہوا تھا ۔ بسم اللہ الرحمن الرحیم محمد کی طرف سے جو اللہ کا بندہ اور اس کا رسول ہے ( صلی اللہ علیہ وسلم ) ہرقل عظیم روم کی طرف ، سلام ہو ان پر جنہوں نے ہدایت کی اتباع کی ۔ امابعد !
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবূ সুফ্ইয়ান ইবনু হারব তাকে বলেছেনঃ হিরাক্লিয়াস আবূ সুফ্ইয়ানকে ডেকে পাঠালেন, কুরাইশদের ঐ দলসহ যারা ব্যবসার জন্য সিরিয়া গিয়েছিলেন। তাঁরা সবাই তাঁর নিকট হাজির হলেন। এরপর তিনি ঘটনার বর্ণনা করেন। শেষে বললেন যে, তারপর হিরাক্লিয়াস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চিঠিটি আনালেন এবং তা পাঠ করা হল। এতে ছিল ‘বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম’ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল মুহাম্মাদ এর পক্ষ হতে রোম সম্রাট হিরাক্লিয়াসের প্রতি السَّلاَمُ عَلٰى مَنْ اتَّبَعَ الْهُد‘ى শান্তি বর্ষিত হোক তাদের উপর যারা সৎপথ অনুসরণ করেছে। [৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১৩)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 277
Hadith 6261
وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ ذَكَرَ رَجُلاً مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ أَخَذَ خَشَبَةً فَنَقَرَهَا، فَأَدْخَلَ فِيهَا أَلْفَ دِينَارٍ وَصَحِيفَةً مِنْهُ إِلَى صَاحِبِهِ. وَقَالَ عُمَرُ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِيهِ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم
" نَجَرَ خَشَبَةً، فَجَعَلَ الْمَالَ فِي جَوْفِهَا، وَكَتَبَ إِلَيْهِ صَحِيفَةً مِنْ فُلاَنٍ إِلَى فُلاَنٍ ".
Narrated Abu Hurairah (ra):
Allah's Messenger (ﷺ) mentioned a person from Bani Israel who took a piece of wood, made a hole in it, and put therein one thousand Dinar and letter from him to his friend. The Prophet (ﷺ) said, "(That man) cut a piece of wood and put the money inside it and wrote a letter from such and such a person to such and such a person."
لیث نے بیان کیا کہ مجھ سے جعفر بن ربیع نے بیان کیا ان سے عبدالرحمٰن بن ہرمز نے اور ان سے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم سے کہ
آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے بنی اسرائیل کے ایک شخص کا ذکر کیا کہ انہوں نے لکڑ ی کا ایک لٹھا لیا اور اس میں سوراخ کر کے ایک ہزار دینار اور خط رکھ دیا وہ ان کی طرف سے ان کے ساتھی ( قرض خواہ کی طرف تھا اور عمر بن ابی سلمہ نے بیان کیا کہ ان سے ان کے والد نے اور انہوں نے ابوہریرہ رضی اللہ عنہ سے سنا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ انہوں نے لکڑی کے ایک لٹھے میں سوراخ کیا اور مال اس کے اندر رکھ دیااوار ان کے پاس ایک خط لکھا ، فلاں کی طرف سے فلاں کو ملے ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বানী ইসরাঈলের এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করে বললেন যে, সে এক টুকরো কাঠ নিয়ে খোদাই করে এর ভেতর এক হাজার দীনার ভর্তি করে রাখল এবং এর মালিকের প্রতি লেখা একখানা চিঠিও রেখে দিলো। আর ‘উমার ইবনু আবূ সালামাহ সূত্রে আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ এক লোক এক টুকরো কাঠ খোদাই করে তার ভেতরে কিছু মাল রেখে দিল এবং এর সাথে তার প্রাপকের প্রতি একখানা পত্রও ভরে দিল, যার মধ্যে লেখা ছিল, অমুকের পক্ষ থেকে অমুকের প্রতি।(আধুনিক প্রকাশনী- ২৫-অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১৪)
The people of (the tribe of) Quraiza agreed upon to accept the verdict of Sa`d. The Prophet (ﷺ) sent for
him (Sa`d) and he came. The Prophet (ﷺ) said (to those people), "Get up for your chief or the best among
you!" Sa`d sat beside the Prophet (ﷺ) and the Prophet (ﷺ) said (to him), "These people have agreed to accept
your verdict." Sa`d said, "So I give my judgment that their warriors should be killed and their women
and children should be taken as captives." The Prophet (ﷺ) said, "You have judged according to the King's
(Allah's) judgment." (See Hadith No. 447, Vol. 5)
ہم سے ابو الولید نے بیان کیا ، کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ان سے سعد بن ابراہیم نے ان سے ابوامامہ بن سہل بن حنیف نے اور ان سے ابو سعید خدری نے کہ
قریظہ کے یہودی حضرت سعد بن معاذرضی اللہ عنہ کو ثالث بنانے پر تیار ہو گئے تو رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے انہیں بلا بھیجا جب وہ آئے تو آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ اپنے سردار کے لینے کو اٹھو یا یوں فرمایا کہ اپنے میں سب سے بہتر کو لینے کے لئے اٹھو ۔ پھر وہ حضور اکرم صلی اللہ علیہ وسلم کے پاس بیٹھ گئے اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ بنی قریظہ کے لوگ تمہارے فیصلے پر راضی ہو کر ( قلعہ سے ) اتر آئے ہیں ( اب تم کیا فیصلہ کرتے ہو ۔ ) حضرت سعد رضی اللہ عنہ نے کہا کہ پھر میں یہ فیصلہ کرتا ہوں کہ ان میں جو جنگ کے قابل ہیں انہیں قتل کر دیا جائے اور ان کے بچوں اور عورتوں کو قید کر لیا جائے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ آپ نے وہی فیصلہ فرمایا جس فیصلہ کو فرشتہ لے کر آیا تھا ۔ ابوعبداللہ ! ( مصنف ) نے بیان کیا کہ مجھے میرے بعض اصحاب نے ابو الولید کے واسطہ سے ابوسعید رضی اللہ عنہ کا قول ( علی کے بجائے بصلہ ” الی “ حکمک نقل کیا ہے ۔
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ কুরাইযাহ গোত্রের লোকেরা সা‘দ -এর ফায়সালার উপর আত্মসমর্পণ করলো। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে আনার জন্য লোক পাঠালেন। তারপর তিনি এলে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহাবীদের বললেনঃ তোমরা আপন সরদারের প্রতি অথবা বললেনঃ তোমাদের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির সম্মানার্থে উঠে দাঁড়াও। তারপর সা‘দ এসে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর পার্শ্বেই উপবেশন করলেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ এরা তোমার ফায়সালার উপর আত্মসমর্পণ করেছে। তিনি বললেনঃ তা হলে আমি ফায়সালা দিচ্ছি যে, এদের মধ্যে যারা যুদ্ধ করার যোগ্য তাদের হত্যা করা হোক। আর তাদের ছোটদের বন্দী করা হোক। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এদের ব্যাপারে তুমি আল্লাহ তা‘আলার ফায়সালা অনুযায়ীই ফায়সালা দিয়েছ। ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, আমার কোন কোন সঙ্গী উস্তাদ আবুল ওয়ালীদ থেকে আবূ সাঈদের এ হাদীস عَلٰى حُكْمِكَ এর স্থলে إِلٰى حُكْمِكَ শব্দ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। [৪০৪৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 278
Hadith 6263
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ قُلْتُ لأَنَسٍ أَكَانَتِ الْمُصَافَحَةُ فِي أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ نَعَمْ.
Narrated Qatada:
I asked Anas, "Was it a custom of the companions of the Prophet (ﷺ) to shake hands with one another?"
He said, "Yes."
ہم سے عمرو بن عاصم نے بیان کیا ، کہا ہم سے ہمام نے بیان کیا ان سے قتادہ نے کہ
میں نے حضرت انس رضی اللہ عنہ سے پوچھا ، کیامصافحہ کا دستور نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے صحابہ میں تھا ؟ انہوں نے کہا کہ ہاں ضرور تھا ۔
ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ আমি আনাস (রাঃ) –কে জিজ্ঞেস করলামঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাহাবীগণের মধ্যে কি মুসাফাহা চালু ছিল? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 279
Hadith 6264
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي حَيْوَةُ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو عَقِيلٍ، زُهْرَةُ بْنُ مَعْبَدٍ سَمِعَ جَدَّهُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ هِشَامٍ، قَالَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ آخِذٌ بِيَدِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ.
Narrated `Abdullah bin Hisham:
We were in the company of the Prophet (ﷺ) and he was holding the hand of `Umar bin Al-Khattab.
ہم سے یحییٰ بن سلیمان نے بیان کیا ، انہوں نے کہا کہ مجھ سے ابن وہب نے بیان کیا ، انہوں نے کہا کہ مجھے حیوہ نے خبر دی ، کہا کہ مجھ سے ابو عقیل زہرہ بن معبد نے بیان کیا ، انہوں نے اپنے دادا عبداللہ بن ہشام رضی اللہ عنہ سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ
ہم نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے ساتھ تھے اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم عمر بن خطا ب رضی اللہ عنہ کا ہاتھ پکڑے ہوئے تھے ۔
আবদুল্লাহ ইবনু হিশাম (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ছিলাম। তখন তিনি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) –এর হস্ত ধারণকৃত অবস্থায় ছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১৭)
Allah's Messenger (ﷺ) taught me the Tashah-hud as he taught me a Sura from the Qur'an, while my hand was
between his hands. (Tashah-hud was) all the best compliments and the prayers and the good things are
for Allah. Peace and Allah's Mercy and Blessings be on you, O Prophet! Peace be on us and on the
pious slaves of Allah, I testify that none has the right to be worshipped but Allah, and I also testify
that Muhammad is Allah's slave and His Apostle. (We used to recite this in the prayer) during the
lifetime of the Prophet (ﷺ) , but when he had died, we used to say, "Peace be on the Prophet."
ہم سے ابونعیم نے بیان کیا ، کہا ہم سے سیف نے بیان کیا ، انہوں نے کہا کہ میں نے مجاہد سے سنا ، انہوں نے کہا کہ مجھ سے عبداللہ بن بخرہ ابو معمر نے بیان کیا کہ میں نے حضرت عبداللہ بن مسعود رضی اللہ عنہما سے سنا ، انہوں نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے مجھے تشہد سکھایا ، اس وقت میر اہاتھ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی ہتھیلیوں کے درمیان میں تھا ( اس طرح سکھایا ) جس طرح آپ قرآن کی سورت سکھا یا کرتے تھے ۔ التحیات للہ والصلوات والطیبات السلام علیک ایھا النبی ورحمۃ اللہ وبرکاتہ السلام علینا وعلی عباداللہ الصالحین اشہد ان لا الٰہ الا اللہ واشہد ان محمدا عبدہ ورسولہ ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اس وقت حیات تھے ۔ جب آپ کی وفات ہو گئی تو ہم ( خطاب کا صیغہ کے بجائے ) اس طرح پڑھنے لگے ۔ ” السلام علی النبی “ یعنی نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم پر سلام ہو ۔
ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত তাঁর উভয় হস্তের মধ্যে রেখে আমাকে এমনভাবে তাশাহ্হুদ শিখিয়েছেন, যেভাবে তিনি আমাকে কুরআনের সূরা শিখাতেনঃ التَّحِيَّاتُ للهِ÷ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُه” وَرَسُوْلُه” এ সময় তিনি আমাদের মাঝেই অবস্থান করছিলেন। তারপর যখন তাঁর ওফাত হয়ে গেল, তখন থেকে আমরা السَّلاَمُ عَلَيْكَ এ স্থলে السَّلاَمُ عَلَى النَّبِيِّ পড়তে লাগলাম। [৮৩১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 281
Hadith 6266
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ شُعَيْبٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ كَعْبٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ عَلِيًّا ـ يَعْنِي ابْنَ أَبِي طَالِبٍ ـ خَرَجَ مِنْ عِنْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ ـ رضى الله عنه ـ خَرَجَ مِنْ عِنْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي وَجَعِهِ الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ فَقَالَ النَّاسُ يَا أَبَا حَسَنٍ كَيْفَ أَصْبَحَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَصْبَحَ بِحَمْدِ اللَّهِ بَارِئًا فَأَخَذَ بِيَدِهِ الْعَبَّاسُ فَقَالَ أَلاَ تَرَاهُ أَنْتَ وَاللَّهِ بَعْدَ الثَّلاَثِ عَبْدُ الْعَصَا وَاللَّهِ إِنِّي لأُرَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَيُتَوَفَّى فِي وَجَعِهِ، وَإِنِّي لأَعْرِفُ فِي وُجُوهِ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ الْمَوْتَ، فَاذْهَبْ بِنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَنَسْأَلَهُ فِيمَنْ يَكُونُ الأَمْرُ فَإِنْ كَانَ فِينَا عَلِمْنَا ذَلِكَ، وَإِنْ كَانَ فِي غَيْرِنَا أَمَرْنَاهُ فَأَوْصَى بِنَا. قَالَ عَلِيٌّ وَاللَّهِ لَئِنْ سَأَلْنَاهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَيَمْنَعُنَا لاَ يُعْطِينَاهَا النَّاسُ أَبَدًا، وَإِنِّي لاَ أَسْأَلُهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَبَدًا.
Narrated `Abdullah bin `Abbas:
`Ali bin Abu Talib came out of the house of the Prophet (ﷺ) during his fatal ailment. The people asked
(`Ali), "O Abu Hasan! How is the health of Allah's Messenger (ﷺ) this morning?" `Ali said, "This morning
he is better, with the grace of Allah." Al-`Abbas held `Ali by the hand and said, "Don't you see him
(about to die)? By Allah, within three days you will be the slave of the stick (i.e., under the command
of another ruler). By Allah, I think that Allah's Messenger (ﷺ) will die from his present ailment, for I know
the signs of death on the faces of the offspring of `Abdul Muttalib. So let us go to Allah's Messenger (ﷺ) to
ask him who will take over the Caliphate. If the authority is given to us, we will know it, and if it is
given to somebody else we will request him to recommend us to him. " `Ali said, "By Allah! If we ask
Allah's Messenger (ﷺ) for the rulership and he refuses, then the people will never give it to us. Besides, I will
never ask Allah's Messenger (ﷺ) for it." (See Hadith No 728, Vol 5)
ہم سے اسحاق بن راہویہ نے بیان کیا ، کہا ہم کو بشر بن شعیب نے خبر دی ، کہا مجھ سے میرے والد نے بیان کیا ، ان سے زہری نے ، کہا مجھ کو عبداللہ بن کعب نے خبر دی اور ان کو عبداللہ بن عباس رضی اللہ عنہما نے خبر دی کہ
حضرت علی ابن ابی طالب رضی اللہ عنہ ( مرض الموت میں ) نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے پاس سے نکلے ( دوسری سند ) بخاری نے کہا اور ہم سے احمد بن صالح نے بیان کیا ، کہا ہم سے عنبسہ بن خالد نے بیان کیا ، کہا ہم سے یونس بن یزید نے بیان کیا ، ان سے ابن شہاب زہری نے بیان کیا ، کہا مجھ کو عبداللہ بن کعب بن مالک نے خبر دی اور انہیں عبداللہ بن عباس رضی اللہ عنہما نے خبر دی کہ حضرت علی بن ابی طالب رضی اللہ عنہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے یہاں سے نکلے ، یہ اس مرض کا واقعہ ہے جس میں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کی وفات ہوئی تھی ۔ لوگوں نے پوچھا اے ابو لحسن ! حضور اکرم صلی اللہ علیہ وسلم نے صبح کیسی گزاری ؟ انہوں نے کہا کہ بحمدللہ آپ کو سکون رہا ہے ۔ پھر حضرت علی رضی اللہ عنہ کا ہاتھ حضرت عباس رضی اللہ عنہ نے پکڑ کر کہا ۔ کیا تم آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کو دیکھتے نہیں ہو ۔ ( واللہ ) تین دن کے بعد تمہیں لاٹھی کا بندہ بننا پڑے گا ۔ واللہ میں سمجھتا ہوں کہ اس مرض میں آپ وفات پا جائیں گے ۔ میں بنی عبدالمطلب کے چہروں پر موت کے آثار کو خوب پہچانتا ہوں ، اس لئے ہمارے ساتھ تم آپ کے پاس چلو ۔ تاکہ پوچھا جائے کہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے بعد خلافت کس کے ہاتھ میں رہے گی اگر وہ ہمیں لوگوں کو ملتی ہے تو ہمیں معلوم ہو جائے گا اور اگر دوسروں کے پاس جائے گی تو ہم عرض کریں گے تاکہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم ہمارے بارے میں کچھ وصیت کریں ۔ حضرت علی رضی اللہ عنہ نے کہا کہ واللہ ! اگر ہم نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے خلافت کی درخواست کی اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے انکار کر دیا تو پھر لوگ ہمیں کبھی نہیں دیں گے میں تو آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سے کبھی نہیں پوچھوں گا کہ آپ کے بعد کون خلیفہ ہو ۔
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর শেষ কালে তাঁর কাছ থেকে বেরিয়ে এলেন, লোকেরা তাঁকে জিজ্ঞেস করলোঃ হে আবুল হাসান! কীভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সকাল হয়েছে? তিনি বললেনঃ আলহাম্দু লিল্লাহ্ সুস্থ অবস্থায় তাঁর সকাল হয়েছে। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) তার হাত ধরে বললেনঃ তুমি কি তাঁর অবস্থা বুঝতে পারছো না? তুমি তিনদিন পরই লাঠির গোলাম হয়ে যাবে। আল্লাহ্র কসম! আমি নিঃসন্দেহে ধারণা করছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর এ অসুখেই শীঘ্রই ইন্তিকাল করবেন। আমি বনূ ‘আবদুল মুত্তালিবের চেহারা থেকে তাঁদের মৃত্যুর আলামত বুঝতে পারি। অতএব তুমি আমাদের রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে যাও। আমরা তাঁকে জিজ্ঞেস করবো যে, তাঁর অবর্তমানে খিলাফতের দায়িত্ব কাদের হাতে থাকবে? যদি আমাদের বংশেই থাকে, তবে তা আমরা জেনে রাখলাম। আর যদি অন্য কোন গোত্রের হাতে থাকবে বলে জানি, তবে আমরা তাঁর সাথে পরামর্শ করবো এবং তিনি আমাদের জন্য অসিয়ত করে যাবেন। ‘আলী (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! যদি আমরা এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করি আর তিনি এ ব্যাপারে আমাদের বিরত থাকার নির্দেশ দেন, তাহলে লোকজন কখনও আমাদের এ সুযোগ দেবে না। সুতরাং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে কখনো জিজ্ঞেস করবো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১৯)
While I was a companion rider with the Prophet (ﷺ) he said, "O Mu`adh!" I replied, "Labbaik wa
Sa`daik." He repeated this call three times and then said, "Do you know what Allah's Right on His
slaves is?" I replied, "No." He said, Allah's Right on His slaves is that they should worship Him
(Alone) and should not join partners in worship with Him." He said, "O Mu`adh!" I replied, "Labbaik
wa Sa`daik." He said, "Do you know what the right of (Allah's) salves on Allah is, if they do that
(worship Him Alone and join none in His worship)? It is that He will not punish them."
(another chain through Mu'adh)
ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا ، کہا ہم سے ہمام نے بیان کیا ، ان سے قتادہ نے ، ان سے انس رضی اللہ عنہ نے اور ان سے معاذ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی سواری پر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے پیچھے سوار تھا آپ نے فرمایا اے معاذ ! میں نے کہا ۔ ” لبیک وسعدیک “ ( حاضر ہوں ) پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے تین مرتبہ مجھے اسی طرح مخاطب کیا اس کے بعد فرمایا تمہیں معلوم ہے کہ بندوںپر اللہ کاکیا حق ہے ؟ ( پھر خود ہی جواب دیا ) کہ یہ کہ اسی کی عبادت کریں اور اس کے ساتھ کسی کو شریک نہ ٹھہرائیں پھر آپ تھوڑی دیر چلتے رہے اور فرمایا اے معاذ ! میں نے عرض کی ” لبیک وسعدیک “ فرمایا تمہیں معلوم ہے کہ جب وہ یہ کر لیں تو اللہ پر بندوں کا کیا حق ہے ؟ یہ کہ انہیں عذاب نہ دے ۔
মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, আমি একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পেছনে তাঁর সাওয়ারীর উপর উপবিষ্ট ছিলাম। তখন তিনি আমাকে ডাক দিলেনঃ ওহে মু’আয! আমি বললাম, লাব্বাইকা ওয়া সদাইকা। তারপর তিনি এরূপ তিনবার ডাকলেন। এরপর বললেনঃ তুমি কি জানো যে, বান্দাদের উপর আল্লাহ্র হক কী? তিনি বললেনঃ তা’ হলো, বান্দারা তাঁর ‘ইবাদত করবে আর এতে তাঁর সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না। আবার কিছুক্ষণ চলার পর তিনি বললেনঃ ওহে মু’আয! আমি জবাবে বললামঃ লাব্বাইকা ওয়া সা’দাইকা। তখন তিনি বললেনঃ তুমি কি জানো যে, বান্দা যখন তাঁর ‘ইবাদত করবে, তখন আল্লাহ্র উপর বান্দাদের হক কী হবে? তিনি বললেনঃ তা এই যে, তিনি তাদের আযাব দিবেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২০)
While I was walking with the Prophet (ﷺ) at the Hurra of Medina in the evening, the mountain of Uhud
appeared before us. The Prophet (ﷺ) said, "O Abu Dhar! I would not like to have gold equal to Uhud
(mountain) for me, unless nothing of it, not even a single Dinar remains of it with me, for more than
one day or three days, except that single Dinar which I will keep for repaying debts. I will spend all of
it (the whole amount) among Allah's slaves like this and like this and like this." The Prophet (ﷺ) pointed
out with his hand to illustrate it and then said, "O Abu Dhar!" I replied, "Labbaik wa Sa`daik, O
Allah's Messenger (ﷺ)!" He said, "Those who have much wealth (in this world) will be the least rewarded (in
the Hereafter) except those who do like this and like this (i.e., spend their money in charity)." Then he
ordered me, "Remain at your place and do not leave it, O Abu Dhar, till I come back." He went away
till he disappeared from me. Then I heard a voice and feared that something might have happened to
Allah's Messenger (ﷺ), and I intended to go (to find out) but I remembered the statement of Allah's Messenger (ﷺ)
that I should not leave, my place, so I kept on waiting (and after a while the Prophet (ﷺ) came), and I said
to him, "O Allah's Messenger (ﷺ), I heard a voice and I was afraid that something might have happened to
you, but then I remembered your statement and stayed (there). The Prophet (ﷺ) said, "That was Gabriel
who came to me and informed me that whoever among my followers died without joining others in
worship with Allah, would enter Paradise." I said, "O Allah's Messenger (ﷺ)! Even if he had committed
illegal sexual intercourse and theft?" He said, "Even if he had committed illegal sexual intercourse and
theft."
ہم سے عمر بن حفص بن غیاث نے بیان کیا ، کہا مجھ سے میرے والد نے بیان کیا کہا ہم سے اعمش نے بیان کیا ، کہا ہم سے زید بن وہب نے بیان کیا ( کہا کہ )
واللہ ہم سے ابوذر رضی اللہ عنہ نے مقام ربذہ میں بیان کیا کہ میں رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کے ساتھ رات کے وقت مدینہ منورہ کی کالی پتھروں والی زمین پر چل رہا تھا کہ احد پہاڑ دکھائی دیا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا اے ابوذر ! مجھے پسند نہیں کہ اگر احد پہاڑکے برابر بھی میرے پاس سونا ہو اور مجھ پر ایک رات بھی اس طرح گذرجائے یا تین رات کہ اس میں سے ایک دینا ر بھی میرے پاس باقی بچے ۔ سوائے اس کے جو میں قرض کی ادائیگی کے لئے محفوظ رکھ لوں میں اس سارے سونے کو اللہ کی مخلوق میں اس اس طرح تقسیم کر دوں گا ۔ ابوذر رضی اللہ عنہ نے اس کی کیفیت ہمیں اپنے ہاتھ سے لپ بھر کردکھائی پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا اے ابوذر ! میں نے عرض کیا لبیک وسعدیک یا رسول اللہ ! آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا زیادہ جمع کرنے والے ہی ( ثواب کی حیثیت سے ) کم حاصل کرنے والے ہوں گے ۔ سوائے اس کے جو اللہ کے بندوں پر مال اس اس طرح یعنی کثرت کے ساتھ خرچ کرے ۔ پھر فرمایا یہیں ٹھہرے رہو ابوذر ! یہاں سے اس وقت تک نہ ہٹنا جب تک میں واپس نہ آ جاؤں ۔ پھرآنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم تشریف لے گئے اور نظروں سے اوجھل ہو گئے ۔ اس کے بعد میں نے آواز سنی اور مجھے خطرہ ہوا کہ کہیں حضور اکرم صلی اللہ علیہ وسلم کو کوئی پریشانی نہ پیش آ گئی ہو ۔ اس لئے میں نے ( آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کو دیکھنے کے لئے ) جانا چاہا لیکن فوراً ہی آنحضور صلی اللہ علیہ وسلم کا یہ ارشاد یاد آیا کہ یہاں سے نہ ہٹنا ۔ چنانچہ میں وہیں رک گیا ( جب آپ تشریف لائے تو ) میں نے عرض کی ۔ میں نے آواز سنی تھی اور مجھے خطرہ ہو گیا تھا کہ کہیں آپ کو کوئی پریشانی نہ پیش آ جائے پھر مجھے آپ کا ارشاد یاد آیا اس لئے میں یہیں ٹھہر گیا ۔ آنحضر ت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا یہ جبرائیل علیہ السلام تھے ۔ میرے پاس آئے تھے اور مجھے خبر دی ہے کہ میری امت کا جو شخص بھی اس حال میں مرے گا کہ اللہ کے ساتھ کسی چیز کو شریک نہ ٹھہر اتا ہو تو وہ جنت میں جائے گا ۔ میں نے عرض کیا یا رسول اللہ ! اگرچہ اس نے زنا اور چوری کی ہو ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ ہاں اگر اس نے زنا اور چوری بھی کی ہو ۔ ( اعمش نے بیان کیا کہ ) میں نے زید بن وہب سے کہا کہ مجھے معلوم ہوا ہے کہ اس حدیث کے راوی ابودرداء رضی اللہ عنہ ہیں ؟ حضرت زید نے فرمایا میں گواہی دیتا ہوں کہ یہ حدیث مجھ سے ابو ذررضی اللہ عنہ نے مقام ربذہ میں بیان کی تھی ۔ اعمش نے بیان کیا کہ مجھ سے ابوصالح نے حدیث بیان کی اور ان سے ابو الدرداء رضی اللہ عنہ نے اسی طرح بیان کیا اور ابو شہاب نے اعمش سے بیان کیا ۔
যায়দ ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ যায়দ ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) বলেন, আল্লাহ্র কসম! আবূ যার (রাঃ) রাবাযাহ নামক স্থানে আমাদের কাছে বর্ণনা করেন যে, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সঙ্গে এশার সময় মাদীনায় হার্রা নামক স্থান দিয়ে পায়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। তখন আমরা উহূদ পাহাড়ের সম্মুখীন হলে তিনি আমাকে বললেনঃ হে আবূ যার! আমি এটা পছন্দ করি না যে, আমার নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ সোনা আসুক। আর ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ছাড়া এক দীনার পরিমাণ সোনাও এক রাত অথবা তিন রাত পর্যন্ত আমার হাতে তা থেকে যাক। বরং আমি পছন্দ করি যে, আমি এগুলো আল্লাহ্র বান্দাদের এভাবে বিলিয়ে দেই। (কীভাবে দেবেন) তা তাঁর হাত দিয়ে দেখালেন। তারপর বললেনঃ হে আবূ যার! আমি বললামঃ লাব্বাইকা ওয়া স’দাইকা, হে আল্লাহ্র রসূল! তখন তিনি বললেনঃ দুনিয়াতে যার বেশি ধন, আখিরাতে তারা হবে অনেক কম সাওয়াবের অধিকারী। তবে যারা তাদের সম্পদকে এভাবে, এভাবে বিলিয়ে দেবে। তারা হবে এর ব্যতিক্রম। তারপর তিনি আমাকে বললেনঃ আমি ফিরে না আসা পর্যন্ত, হে আবূ যার! তুমি এ স্থানেই থাকো। এখান থেকে কোথাও যেয়ো না। এরপর তিনি রওয়ানা হয়ে গেলেন, এমনকি আমার অদৃশ্যে চলে গেলেন। এমন সময় একটা শব্দ শুনলাম। এতে আমি শঙ্কিত হয়ে পড়লাম যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন বিপদের সম্মুখীন হয়ে পড়লেন কিনা? তাই আমি সে দিকে এগিয়ে যেতে চাইলাম। কিন্তু সাথে সাথেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর নিষেধাজ্ঞা- যে কোথাও যেয়ো না- মনে পড়লো এবং আমি থেমে গেলাম। এরপর তিনি ফিরে আসলে আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমি একটা আওয়ায শুনে ভীত হয়ে পড়লাম যে, আপনি সেখানে গিয়ে কোন বিপদে পড়লেন কিনা। কিন্তু আপনার কথা স্মরণ করে থেমে গেলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তিনি ছিলেন জিবরীল। তিনি আমার নিকট এসে সংবাদ দিলেন যে, আমার উম্মাতের মধ্যে যে লোক আল্লাহ্র সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক না করে মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! যদিও সে ব্যক্তি ব্যভিচার করে? যদিও সে ব্যক্তি চুরি করে? তিনি বললেনঃ সে যদিও ব্যভিচার করে, যদিও চুরি করে থাকে তবুও।
আ’মাশ (রহঃ) বলেনঃ আমি যায়দকে বললাম, আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, এ হাদীসের রাবী হলেন আবুদ্ দারদা। তিনি বললেনঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এ হাদীসটি আবূ যারই রাবাযা নামক স্থানে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। আ’মাশ (রহঃ) বলেন, আবূ সালিহও আবূ দারদা (রাঃ) সূত্রে আমার কাছে এ রকম বর্ণনা করেছেন। আর আবূ শিহাব, আ’মাশ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ ‘তিন দিনের অতিরিক্ত’। [১২৩৭; মুসলিম ১/৪০, হাঃ ৯৪, আহমাদ ২১৪৭১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২১)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 285
Hadith 6269
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" لاَ يُقِيمُ الرَّجُلُ الرَّجُلَ مِنْ مَجْلِسِهِ، ثُمَّ يَجْلِسُ فِيهِ ".
Narrated Ibn `Umar:
The Prophet (ﷺ) said, "A man should not make another man get up from his (the latter's) seat (in a
gathering) in order to sit there.
ہم سے اسماعیل بن عبداللہ نے بیان کیا ، انہوں نے کہا کہ مجھ سے امام مالک نے بیان کیا ، ان سے نافع نے بیان کیا اور ان سے حضرت عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کوئی شخص کسی دوسرے شخص کو اس کے بیٹھنے کی جگہ سے نہ اٹھائے کہ خود وہاں بیٹھ جائے ۔
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অপর কাউকে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সে সেখানে বসবে না।[৯১১; মুসলিম ৩৯/১১, হাঃ ২১৭৭, আহমাদ ৬০৬৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২২)
The Prophet (ﷺ) forbade that a man should be made to get up from his seat so that another might sit on it,
but one should make room and spread out. Ibn `Umar disliked that a man should get up from his seat
and then somebody else sit at his place.
ہم سے خلاد بن یحییٰ نے بیان کیا ، کہا ہم سے سفیان ثوری نے بیان کیا ، ان سے عبداللہ عمری نے ، ان سے نافع اور ان سے حضرت عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے اس سے منع فرمایا تھا کہ کسی شخص کو اس کی جگہ سے اٹھایا جائے تاکہ دوسرا اس کی جگہ بیٹھے ، البتہ ( آنے والے کو مجلس میں ) جگہ دے دیا کرو اور فراخی کر دیا کرو اور حضرت ابن عمر رضی اللہ عنہما ناپسند کرتے تھے کہ کوئی شخص مجلس میں سے کسی کو اٹھا کر خود اس کی جگہ بیٹھ جائے ۔
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন লোককে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে অন্য লোক বসতে নিষেধ করেছেন। তবে তোমরা বসার জায়গা প্রশস্ত করে দাও এবং ব্যবস্থা করে দাও। ইবনু ‘উমার (রাঃ) কেউ তার জায়গা থেকে উঠে যাক এবং তার স্থানে অন্যজন বসুক তা পছন্দ করতেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৩)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 287
Hadith 6271
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، سَمِعْتُ أَبِي يَذْكُرُ، عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ لَمَّا تَزَوَّجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم زَيْنَبَ ابْنَةَ جَحْشٍ دَعَا النَّاسَ طَعِمُوا ثُمَّ جَلَسُوا يَتَحَدَّثُونَ ـ قَالَ ـ فَأَخَذَ كَأَنَّهُ يَتَهَيَّأُ لِلْقِيَامِ فَلَمْ يَقُومُوا، فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ قَامَ، فَلَمَّا قَامَ قَامَ مَنْ قَامَ مَعَهُ مِنَ النَّاسِ، وَبَقِيَ ثَلاَثَةٌ، وَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَاءَ لِيَدْخُلَ فَإِذَا الْقَوْمُ جُلُوسٌ، ثُمَّ إِنَّهُمْ قَامُوا فَانْطَلَقُوا ـ قَالَ ـ فَجِئْتُ فَأَخْبَرْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُمْ قَدِ انْطَلَقُوا، فَجَاءَ حَتَّى دَخَلَ فَذَهَبْتُ أَدْخُلُ، فَأَرْخَى الْحِجَابَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ، وَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَدْخُلُوا بُيُوتَ النَّبِيِّ إِلاَّ أَنْ يُؤْذَنَ لَكُمْ} إِلَى قَوْلِهِ {إِنَّ ذَلِكُمْ كَانَ عِنْدَ اللَّهِ عَظِيمًا}.
Narrated Anas bin Malik:
When Allah's Messenger (ﷺ) married Zainab bint Jahsh, he invited the people who took their meals and then
remained sitting and talking. The Prophet (ﷺ) pretended to be ready to get up, but the people did not get
up. When he noticed that, he got up, and when he had got up, some of those people got up along with
him and there remained three (who kept on sitting). Then the Prophet (ﷺ) came back and found those
people still sitting. Later on those people got up and went away. So I went to the Prophet (ﷺ) and
informed him that they had left.
The Prophet (ﷺ) came, and entered (his house). I wanted to enter(along with him) but he dropped a curtain
between me and him. Allah then revealed: 'O you who believe! Do not enter the Prophet's Houses
until leave is given... (to His statement)... Verily! That shall be an enormity, in Allah's sight.' (33.53)
ہم سے حسن بن عمر نے بیان کیا ، کہا ہم سے معتمر بن سلیمان نے ، کہا میں نے اپنے والد سے سنا ، وہ ابو مجلز ( حق بن حمید ) سے بیان کرتے تھے اور ان سے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
جب رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے زینب بنت جحش رضی اللہ عنہ سے نکاح کیا تو لوگوں کو ( دعوت ولیمہ پر ) بلایا ۔ لوگوں نے کھانا کھایا پھر بیٹھ کر باتیں کرتے رہے بیان کیا کہ پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے ایسا کیا گویا آپ اٹھنا چاہتے ہیں ۔ لیکن لوگ ( بےحد بیٹھے ہوئے تھے ) پھر بھی کھڑے نہیں ہوئے ۔ جب آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے یہ دیکھا تو آپ کھڑے ہو گئے جب آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کھڑے ہوئے تو آپ کے ساتھ اور بھی بہت سے صحابہ کھڑے ہو گئے لیکن تین آدمی اب بھی باقی رہ گئے ۔ اس کے بعد حضور اکرم صلی اللہ علیہ وسلم اندر جانے کے لئے تشریف لائے لیکن وہ لوگ اب بھی بیٹھے ہوئے تھے ۔ اس کے بعد وہ لوگ بھی چلے گئے ۔ انس رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ پھر میں آیا اور میں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کو اطلاع دی کہ وہ ( تین آدمی ) بھی جا چکے ہیں ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم تشریف لائے اور اندر داخل ہو گئے ۔ میں نے بھی اند ر جانا چاہا لیکن آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے میرے اور اپنے درمیان پردہ ڈال لیا اور اللہ تعالیٰ نے یہ آیت نازل کی ۔ اے ایمان والو ! نبی کے گھر میں اس وقت تک داخل نہ ہو جب تک تمہیں اجازت نہ دی جائے ۔ ارشادہوا ” ان ذالکم عند اللہ اجرا عظیماً “ تک ۔
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাইনাব বিন্ত জাহশ (রাঃ) –কে বিয়ে করলেন, তখন তিনি কয়েকজন লোককে দা’ওয়াত করলেন। তাঁরা খাদ্য গ্রহণের পর বসে বসে অনেক সময় পর্যন্ত আলাপ-আলোচনায় মশগুল থাকলেন। তখন তিনি নিজে চলে যাবার ভাব প্রকাশ করলেন। কিন্তু তাতেও তাঁরা উঠলেন না। তিনি এ অবস্থা দেখে নিজেই উঠে দাঁড়ালেন। যখন তিনি চলে গেলেন, তখন লোকদের মধ্যে যারা দাঁড়াবার ইচ্ছে করলেন, তারা তাঁর সঙ্গেই উঠে চলে গেলেন। কিন্তু তাদের তিনজন থেকে গেলেন। এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফিরে এসে ঘরে প্রবেশ করতে চাইলেন, তখন দেখলেন যে ঐ তিনজন তখনো বসে আছেন। কিছুক্ষণ পর তারাও উঠে চলে গেলে, আমি গিয়ে তাঁকে তাদের চলে যাবার সংবাদ দিলাম। এরপর তিনি এসে ঘরে ঢুকলেন। তখন আমিও প্রবেশ করতে চাইলে তিনি আমার ও তাঁর মধ্যে পর্দা টেনে দিলেন। এ সময় আল্লাহ্ তা’আলা ওয়াহী অবতীর্ণ করলেনঃ “তোমরা যারা ঈমান এনেছ শোন! নবীগৃহে প্রবেশ কর না যতক্ষণ না তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া হয় ...... আল্লাহ্র দৃষ্টিতে এটা মহা অপরাধ।” – (সূরাহ আল-আহযাব ৩৩/৫৩)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৪)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 288
Hadith 6272
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي غَالِبٍ، أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُلَيْحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِفِنَاءِ الْكَعْبَةِ مُحْتَبِيًا بِيَدِهِ هَكَذَا.
Narrated Ibn `Umar:
I saw Allah's Messenger (ﷺ) in the courtyard of the Ka`ba in the Ihtiba.' posture putting his hand round his
legs like this.
ہم سے محمد بن ابی غالب نے بیان کیا ، کہا ہم کو ابراہیم بن المنذر حزامی نے خبر دی ، کہا ہم سے محمد بن فلیح نے بیان کیا ، ان سے ان کے باپ نے ، ان سے نافع نے اور ان سے حضرت ابن عمر رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
میں نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کو صحن کعبہ میں دیکھا کہ آپ سرین پر بیٹھے ہوئے دونوں رانیں شکم مبارک سے ملائے ہوئے ہاتھوں سے پنڈلی پکڑے ہوئے بیٹھے تھے ۔
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –কে কা’বা’র আঙ্গিনায় দু’ হাঁটু খাড়া করে দু’ হাত দিয়ে তা বেড় দিয়ে এভাবে উপবিষ্ট অবস্থায় পেয়েছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৫)
Allah's Messenger (ﷺ) said, "Shall I inform you of the biggest of the great sins?" They said, "Yes, O Allah's
Apostle!" He said, "To join partners in worship with Allah, and to be undutiful to one's parents. "
ہم سے علی بن عبداللہ مدینی نے بیان کیا ، کہا ہم سے بشر بن مفضل نے بیان کیا ، کہا ہم سے سعید بن ایاس جریر ی نے بیان کیا ، ان سے عبدالرحمٰن بن ابی بکرہ نے اور ان سے ان کے باپ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کیا میں تمہیں سب سے بڑے گناہ کی خبر نہ دوں ۔ صحابہ رضی اللہ عنہم نے عرض کیا کیوں نہیں یا رسول اللہ ! آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ اللہ کے ساتھ شرک کرنا اور والدین کی نافرمانی کرنا ۔
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ আমি কি তোমাদের নিকৃষ্ট কাবীরাহ গুনাহের বর্ণনা দিব না? সকলে বললেনঃ হাঁ হে আল্লাহ্র রসূল! তখন তিনি বললেনঃ তা হলো, আল্লাহ্র সঙ্গে কোন কিছুকে শারীক করা এবং মাতা-পিতার অবাধ্যতা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৬)
as above (No. 290) adding: The Prophet (ﷺ) was reclining (leaning) and then he sat up saying, "And I
warn you against giving a false statement." And he kept on saying that warning so much so that we
said, "Would that he had stopped."
ہم سے مسدد نے بیان کیا ، کہا ہم سے بشر بن مفضل نے اسی طرح مثال بیان کیا ، ( اور یہ بھی بیان کیا کہ )
آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم ٹیک لگائے ہوئے تھے پھر آپ سیدھے بیٹھ گئے اور فرمایا ہاں اور جھوٹی بات بھی ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اسے اتنی مرتبہ باربار دہر ا تے رہے کہ ہم نے کہا ، کاش آپ خاموش ہو جاتے ۔
মুসাদ্দাদ থেকে বর্ণিতঃ মুসাদ্দাদ, বিশ্রের এক সূত্রে এ রকম হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে অধিক বর্ণনা করেছেন যে, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন। এরপর তিনি সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেনঃ হুশিয়ার হও! আর (সবচেয়ে বড় গুনাহ) মিথ্যা কথা বলা। এ কথাটা তিনি বারবার বলতে থাকলেন। এমনকি আমরা বললামঃ হায়! তিনি যদি থামতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 292
Hadith 6276
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي الضُّحَى، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي وَسْطَ السَّرِيرِ، وَأَنَا مُضْطَجِعَةٌ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ تَكُونُ لِيَ الْحَاجَةُ، فَأَكْرَهُ أَنْ أَقُومَ فَأَسْتَقْبِلَهُ فَأَنْسَلُّ انْسِلاَلاً.
Narrated `Aisha:
Allah's Messenger (ﷺ) used to offer his prayer (while standing) in the midst of the bed, and I used to lie in
front of him between him and the Qibla It I had any necessity for getting up and I used to dislike to get
up and face him (while he was in prayer), but I would gradually slip away from the bed.
ہم سے قتیبہ بن سعید نے بیان کیا ، کہا ہم سے جریر نے بیان کیا ، ان سے اعمش نے ، ان سے ابو الضحیٰ نے ، ان سے مسروق نے اور ان سے حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم تخت کے وسط میں نماز پڑھتے تھے اور میں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اور قبلہ کے درمیان لیٹی رہتی تھی مجھے کوئی ضرورت ہوتی لیکن مجھ کو کھڑے ہو کر آپ کے سامنے آنا برا معلوم ہوتا ۔ البتہ آپ کی طرف رخ کر کے میں آہستہ سے کھسک جاتی تھی ۔
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (আমার) পালঙ্কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করতেন। তখন আমি তাঁর কিবলার মাঝে শুয়ে থাকতাম। যখন আমার কোন প্রয়োজন হতো, তখন আমি তাঁর দিকে মুখ করে উঠে দাঁড়ানো পছন্দ করতাম না বরং আমি শায়িত অবস্থাতেই পেছনের দিক দিয়ে কেটে পড়তাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৮)
The news of my fasting was mentioned to the Prophet (ﷺ) . So he entered upon me and I put for him a
leather cushion stuffed with palm-fibres. The Prophet (ﷺ) sat on the floor and the cushion was between me
and him. He said to me, "Isn't it sufficient for you (that you fast) three days a month?" I said, "O
Allah's Messenger (ﷺ)! (I can fast more than this)." He said, "You may fast) five days a month." I said, "O
Allah's Messenger (ﷺ)! (I can fast more than this)." He said, "(You may fast) seven days." I said, "O Allah's
Apostle!" He said, "Nine." I said, "O Allah's Messenger (ﷺ)!" He said, "Eleven." I said, "O Allah's Messenger (ﷺ)!"
He said, "No fasting is superior to the fasting of (the Prophet (ﷺ) David) which was one half of a year, and
he used, to fast on alternate days. (See Hadith No. 300, Vol 3)
ہم سے اسحاق بن شاہین واسطی نے بیان کیا ، کہا ہم سے خالد نے بیان کیا ( دوسری سند ) حضرت امام بخاری رحمہ اللہ نے کہا اور مجھ سے عبداللہ بن محمد مسندی نے بیان کیا ، ان سے عمرو بن عون نے بیان کیا ، ان سے خالد ( بن عبداللہ طحان ) نے بیان کیا ، ان سے خالد ( حذاء ) نے ، ان سے ابوقلابہ نے بیان کیا ، کہا کہ مجھے ابوالملیح عامربن زید نے خبر دی ، انہوں نے ( ابوقلابہ ) کو ( خطاب کر کے ) کہا کہ
میں تمہارے والد زید کے ساتھ حضرت عبداللہ بن عمر رضی اللہ عنہما کی خدمت میں حاضر ہوا ، انہوں نے ہم سے بیان کیا کہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے میرے روزے کا ذکر کیا گیا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم میرے یہاں تشریف لائے میں نے آپ کے لئے چمڑے کا ایک گدا ، جس میں کھجو ر کی چھا ل بھری ہوئی تھی بچھادیا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم زمین پر بیٹھے اور گدا میرے اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے درمیان ویساہی پڑا رہا ۔ پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے مجھ سے فرمایا کیا تمہارے لئے ہر مہینے میں تین دن کے ( روزے ) کافی نہیں ؟ میں نے عرض کیا یا رسول اللہ ! آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا پھر پانچ دن رکھا کر ۔ میں نے عرض کیا یا رسول اللہ ! فرمایا سات دن ۔ میں نے عرض کیا یا رسول اللہ ! فرمایا نودن ۔ میں نے عرض کیا یا رسول اللہ ! فرمایا گیارہ دن ۔ میں نے عرض کیا یا رسول اللہ ! فرمایا حضرت داؤ د علیہ السلام کے روزے سے زیادہ کوئی روزہ نہیں ہے ۔ زندگی کے نصف ایام ، ایک دن کا روزہ اور ایک دن بغیر روزہ کے رہنا ۔
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর নিকট আমার অধিক সওম পালন করার কথা উল্লেখ করা হলো। তখন তিনি আমার ঘরে আসলেন এবং আমি তাঁর উদ্দেশ্যে খেজুরের ছালে ভরা চামড়ার একটা বালিশ পেশ করলাম। তিনি মাটিতেই বসে গেলেন। আর বালিশটা আমার ও তাঁর মাঝে থেকে গেল। তিনি আমাকে বললেনঃ প্রত্যেক মাসে তিনদিন সওম পালন করা কি তোমার জন্যে যথেষ্ট নয়? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তা হলে পাঁচ দিন? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তবে সাতদিন? আমি আবার বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তবে নয়দিন? আমি পুনরায় বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তা হলে এগার দিন? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তখন তিনি বললেনঃ দাউদ (‘আঃ) –এর সওমের চেয়ে অধিক কোন (নাফ্ল) সওম নেই। তিনি প্রত্যেক মাসের অর্ধেক দিন সওম পালন করতেন অর্থাৎ একদিন সওম পালন করতেন আর একদিন পালন করতেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 294
Hadith 6278
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، أَنَّهُ قَدِمَ الشَّأْمَ. وَحَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ ذَهَبَ عَلْقَمَةُ إِلَى الشَّأْمِ، فَأَتَى الْمَسْجِدَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ فَقَالَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي جَلِيسًا. فَقَعَدَ إِلَى أَبِي الدَّرْدَاءِ فَقَالَ مِمَّنْ أَنْتَ قَالَ مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ. قَالَ أَلَيْسَ فِيكُمْ صَاحِبُ السِّرِّ الَّذِي كَانَ لاَ يَعْلَمُهُ غَيْرُهُ ـ يَعْنِي حُذَيْفَةَ ـ أَلَيْسَ فِيكُمْ ـ أَوْ كَانَ فِيكُمُ ـ الَّذِي أَجَارَهُ اللَّهُ عَلَى لِسَانِ رَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الشَّيْطَانِ ـ يَعْنِي عَمَّارًا ـ أَوَلَيْسَ فِيكُمْ صَاحِبُ السِّوَاكِ وَالْوِسَادِ ـ يَعْنِي ابْنَ مَسْعُودٍ ـ كَيْفَ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ يَقْرَأُ {وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى}. قَالَ {وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى}. فَقَالَ مَا زَالَ هَؤُلاَءِ حَتَّى كَادُوا يُشَكِّكُونِي، وَقَدْ سَمِعْتُهَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
Narrated Ibrahim:
'Alaqama went to Sham and came to the mosque and offered a two-rak`at prayer, and invoked Allah:
"O Allah! Bless me with a (pious) good companion." So he sat beside Abu Ad-Darda' who asked,
"From where are you?" He said, "From the people of Kufa." Abu Darda' said, "Wasn't there among
you the person who keeps the secrets (of the Prophet (ﷺ) ) which nobody knew except him (i.e., Hudhaifa
(bin Al-Yaman)). And isn't there among you the person whom Allah gave refuge from Satan through
the request (tongue) of Allah's Messenger (ﷺ)? (i.e., `Ammar). Isn't there among you the one who used to
carry the Siwak and the cushion (or pillows (of the Prophets)? (i.e., Ibn Mas`ud). How did Ibn Mas`ud
use to recite 'By the night as it conceals (the light)?" (Sura 92). 'Alqama said, "Wadhdhakari Wal
Untha' (And by male and female.") Abu Ad-Darda added. 'These people continued to argue with me
regarding it till they were about to cause me to have doubts although I heard it from Allah's Messenger (ﷺ)."
مجھ سے یحییٰ بن جعفر نے بیان کیا ، کہا ہم سے یزید بن ہارون نے بیان کیا ، ان سے شعبہ نے ، ان سے مغیرہ بن مقسم نے ، ان سے ابراہیم نخعی نے اور ان سے علقمہ بن قیس نے کہ
آپ ملک شام میں پہنچے ( دوسری سند ) امام بخاری نے کہا کہ اور مجھ سے ابوالولید نے بیان کیا ، کہا ہم سے شعبہ نے بیان کیا ، ان سے مغیرہ نے اور ان سے ابراہیم نے بیان کیا کہ علقمہ ملک شام گئے اور مسجد میں جا کر دو رکعت نماز پڑھی پھر یہ دعا کی اے اللہ ! مجھے ایک ہم نشین عطا فرما ۔ چنانچہ وہ ابودرداء رضی اللہ عنہ کی مجلس میں جابیٹھے ۔ ابودرداء رضی اللہ عنہ نے دریافت کیا ۔ تمہارا تعلق کہاں سے ہے ؟ کہا کہ اہل کوفہ سے ۔ پوچھا کیا تمہارے یہاں ( نفاق اور منافقین کے ) بھیدوں کے جاننے والے وہ صحابی نہیں ہیں جن کے سوا کوئی اور ان سے واقف نہیں ہے ۔ ان کااشارہ حذیفہ رضی اللہ عنہ کی طرف تھا ۔ کیا تمہارے یہاں وہ نہیں ہیں ( یا یوں کہا کہ ) تمہارے وہ جنہیں اللہ تعالیٰ نے اپنے رسول صلی اللہ علیہ وسلم کی زبانی شیطان سے پنا ہ دی تھی ۔ اشارہ عمار رضی اللہ عنہ کی طرف تھا ۔ کیا تمہارے یہاں مسواک اور گدے والے نہیں ہیں ؟ ان کا اشارہ ابن مسعود رضی اللہ عنہما کی طرف تھا ۔ عبداللہ بن مسعود رضی اللہ عنہما سورۃ ” واللیل اذا یغشیٰ “ کس طرح پڑھتے تھے ۔ علقمہ رضی اللہ عنہ نے کہا کہ وہ ” والذکر والانثیٰ “ پڑھتے تھے ۔ ابودرداء رضی اللہ عنہ نے اس پر کہا کہ یہ لوگ کوفہ والے اپنے مسلسل عمل سے قریب تھا کہ مجھے شبہ میں ڈال دیتے حالانکہ میں نے نبی کریم سے خود اسے سنا تھا ۔
ইব্রাহীম (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার ‘আলক্বামাহ (রহ.) সিরিয়ায় গমন করলেন। তখন তিনি মসজিদে গিয়ে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাকে একজন নেক সঙ্গী দান করুন। এরপর তিনি আবুদ্ দারদা -এর পাশে গিয়ে বসে পড়লেন। তারপর তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আপনি কোন্ শহরের লোক? তিনি জবাব দিলেনঃ আমি কূফার অধিবাসী। তিনি জিজ্ঞেস করলেন ঃ আপনাদের মধ্যে কি সেই লোক নেই। যিনি ঐ ভেদ সম্পর্কে জানতেন, যা অপর কেউ জানতেন না? রাবী বলেন) অর্থাৎ হুযাইফাহ । আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ আপনাদের মধ্যে কি এমন লোক নেই, অথবা আছেন, যাঁকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূলের দু‘আর কারণে শয়তান থেকে পানাহ দিয়েছেন? রাবী বলেন) অর্থাৎ ‘আম্মার তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ আর আপনাদের মধ্যে কি সে লোক নেই যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মিস্ওয়াক ও বালিশের দায়িত্বে ছিলেন? রাবী বলেন) অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ । আবুদ্ দারদা তাঁকে জিজ্ঞেস করেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ সূরায়ে {وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى} কীভাবে পড়তেন? তিনি বললেনঃ তিনি ‘ওয়ামা খালাকায যাকারা ওয়াল উনসা’র স্থলে ‘ওয়ামা খালাকা’ অংশটুকু বাদ দিয়ে) পড়তেন {وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى}। তখন তিনি বললেনঃ এখানকার লোকেরা আমাকে এ সূরা সম্পর্কে সন্দেহে নিক্ষেপ করেছে। অথচ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ রকমই শুনেছি। আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩০)
We used to have a midday nap and take our meals after the Jumua (prayer).
ہم سے محمد بن کثیر نے بیان کیا ، کہا ہم سے سفیان ثوری نے بیان کیا ، ان سے ابوحازم نے اور ان سے حضرت سہل بن سعد ساعدی رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
ہم کھانا اور قیلولہ نماز جمعہ کے بعد کیا کرتے تھے ۔
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমরা জুমু’আহর সলাতের পরেই ‘কা-ইলাহ’ করতাম এবং দুপুরের খাদ্য গ্রহণ করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩১)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 296
Hadith 6280
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ مَا كَانَ لِعَلِيٍّ اسْمٌ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ أَبِي تُرَابٍ، وَإِنْ كَانَ لَيَفْرَحُ بِهِ إِذَا دُعِيَ بِهَا، جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْتَ فَاطِمَةَ ـ عَلَيْهَا السَّلاَمُ ـ فَلَمْ يَجِدْ عَلِيًّا فِي الْبَيْتِ فَقَالَ " أَيْنَ ابْنُ عَمِّكِ ". فَقَالَتْ كَانَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ شَىْءٌ، فَغَاضَبَنِي فَخَرَجَ فَلَمْ يَقِلْ عِنْدِي. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لإِنْسَانٍ " انْظُرْ أَيْنَ هُوَ " فَجَاءَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ هُوَ فِي الْمَسْجِدِ رَاقِدٌ. فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ مُضْطَجِعٌ، قَدْ سَقَطَ رِدَاؤُهُ عَنْ شِقِّهِ، فَأَصَابَهُ تُرَابٌ، فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَمْسَحُهُ عَنْهُ ـ وَهْوَ يَقُولُ " قُمْ أَبَا تُرَابٍ، قُمْ أَبَا تُرَابٍ ".
Narrated Sahl bin Sa`d:
There was no name dearer to `Ali than his nickname Abu Turab (the father of dust). He used to feel
happy whenever he was called by this name. Once Allah's Messenger (ﷺ) came to the house of Fatima but
did not find `Ali in the house. So he asked "Where is your cousin?" She replied, "There was
something (a quarrel) between me and him whereupon he got angry with me and went out without
having a midday nap in my house." Allah's Messenger (ﷺ) asked a person to look for him. That person came,
and said, "O Allah's Messenger (ﷺ)! He (Ali) is sleeping in the mosque." So Allah's Messenger (ﷺ) went there and
found him lying. His upper body cover had fallen off to one side of his body, and so he was covered
with dust. Allah's Messenger (ﷺ) started cleaning the dust from him, saying, "Get up, O Abu Turab! Get up,
Abu Turab!" (See Hadith No. 432, Vol 1)
ہم سے قتیبہ بن سعید نے بیان کیا ، کہا ہم سے عبد العزیز بن حازم نے بیان کیا ، ان سے حضرت سہل بن سعد ساعدی رضی اللہ عنہ نے بیان کیاکہ
حضرت علی رضی اللہ عنہ کو کوئی نام ” ابوتراب “ سے زیادہ محبوب نہیں تھا ۔ جب ان کو اس نام سے بلایا جاتا تو وہ خوش ہوتے تھے ۔ ایک مرتبہ رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم حضرت فاطمہ علیہا السلام کے گھر تشریف لائے تو حضرت علی رضی اللہ عنہ کو گھر میں نہیں پایا تو فرمایا کہ بیٹی تمہارے چچا کے لڑکے ( اور شوہر ) کہاں گئے ہیں ؟ انہوں نے کہا میرے اور ان کے درمیان کچھ تلخ کلامی ہو گئی تھی وہ مجھ پر غصہ ہو کر باہر چلے گئے اور میرے یہاں ( گھر میں ) قیلولہ نہیں کیا ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے ایک شخص سے کہا کہ دیکھو وہ کہاں ہیں ۔ وہ صحابی واپس آئے اور عرض کیا یا رسول اللہ ! وہ تو مسجد میں سوئے ہوئے ہیں ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم مسجد میں تشریف لائے تو حضرت علی رضی اللہ عنہ لیٹے ہوئے تھے اور چادر آپ کے پہلو سے گر گئی تھی اور گرد آلود ہو گئی تھی آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اس سے مٹی صاف کرنے لگے اور فرمانے لگے ، ابوتراب ! ( مٹی والے ) اٹھو ، ابوتراب ! اٹھو ۔
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আলী (রাঃ) –এর কাছে ‘আবূ তুরাব’ –এর চেয়ে প্রিয় কোন নাম ছিল না। এ নামে ডাকা হলে তিনি খুবই খুশি হতেন। কারণ একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফাতেমাহ (রাঃ) –এর ঘরে আসলেন। তখন ‘আলী (রাঃ) -কে ঘরে পেলেন না। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার চাচাতো ভাই কোথায়? তিনি বললেনঃ আমার ও তাঁর মাঝে কিছু ঘটে যাওয়ায় তিনি আমার সঙ্গে রাগ করে বেরিয়ে গেছেন। আমার কাছে কা-ইলাহ করেননি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জনৈক লোককে বললেনঃ দেখতো সে কোথায়? সে লোকটি এসে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি তো মাসজিদে ঘুমিয়ে আছেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এসে দেখতে পেলেন যে, তিনি কাত হয়ে শুয়ে আছেন, আর তাঁর চাদরখানা পার্শ্ব থেকে পড়ে গেছে। ফলে তার গায়ে মাটি লেগে গেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর গায়ের মাটি ঝাড়তে লাগলেন এবং বলতে লাগলেনঃ ওঠো, আবূ তুরাব (মাটির বাপ) ওঠো, আবূ তুরাব! এ কথাটা তিনি দু’বার বললেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩২)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 297
Hadith 6281
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ ثُمَامَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ، كَانَتْ تَبْسُطُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نِطَعًا فَيَقِيلُ عِنْدَهَا عَلَى ذَلِكَ النِّطَعِ ـ قَالَ ـ فَإِذَا نَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَخَذَتْ مِنْ عَرَقِهِ وَشَعَرِهِ، فَجَمَعَتْهُ فِي قَارُورَةٍ، ثُمَّ جَمَعَتْهُ فِي سُكٍّ ـ قَالَ ـ فَلَمَّا حَضَرَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ الْوَفَاةُ أَوْصَى أَنْ يُجْعَلَ فِي حَنُوطِهِ مِنْ ذَلِكَ السُّكِّ ـ قَالَ ـ فَجُعِلَ فِي حَنُوطِهِ.
Narrated Thumama:
Anas said, "Um Sulaim used to spread a leather sheet for the Prophet (ﷺ) and he used to take a midday
nap on that leather sheet at her home." Anas added, "When the Prophet (ﷺ) had slept, she would take
some of his sweat and hair and collect it (the sweat) in a bottle and then mix it with Suk (a kind of
perfume) while he was still sleeping. "When the death of Anas bin Malik approached, he advised that
some of that Suk be mixed with his Hanut (perfume for embalming the dead body), and it was mixed
with his Hanut.
ہم سے قتیبہ بن سعید نے بیان کیا ، کہا ہم سے محمد بن عبداللہ انصاری نے ، کہا کہ مجھ سے میرے والد نے ، ان سے ثمامہ نے اور ان سے انس رضی اللہ عنہ نے کہ
( ان کی والدہ ) ام سلیم نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے لئے چمڑے کا فرش بچھا دیتی تھیں اور آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم ان کے یہاں اسی پرقیلولہ کر لیتے تھے ۔ بیان کیا پھر جب آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سو گئے ( اور بیدار ہوئے ) تو ام سلیم رضی اللہ عنہا نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کا پسینہ اور ( جھڑے ہوئے ) آپ کے بال لے لئے اور ( پسینہ کو ) ایک شیشی میں جمع کیا اور پھر سک ( ایک خوشبو ) میں اسے ملا لیا ۔ بیان کیا ہے کہ پھر جب انس بن مالک رضی اللہ عنہ کی وفات کا وقت قریب ہوا تو انہوں نے وصیت کی کہ اس سک ( جس میں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کا پسینہ ملاہوا تھا ) میں سے ان کے حنوط میں ملا دیا جائے ۔ بیان کیا ہے کہ پھر ان کے حنوط میں اسے ملا یا گیا ۔
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ উম্মু সুলায়ম (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর জন্য চামড়ার বিছানা বিছিয়ে দিতেন এবং তিনি সেখানেই ঐ চামড়ার বিছানার উপর কায়লুলা করতেন। অতঃপর তিনি যখন ঘুম থেকে উঠতেন, তখন তিনি তাঁর শরীরের কিছুটা ঘাম ও চুল সংগ্রহ করতেন এবং তা একটা বোতলের মধ্যে জমা করতেন এবং পরে ‘সুক্ক’ নামক সুগন্ধিতে মিশাতেন। রাবী বর্ণনা করেন যে, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) –এর মৃত্যু সন্নিকট হলে, তিনি আমাকে অসিয়ত করলেনঃ যেন ঐ সুক্ক থেকে কিছুটা তাঁর সুগন্ধির সাথে মিলানো হয়। তাই তা তাঁর সুগন্ধিতে মেশানো হয়েছিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৩)
Whenever Allah's Messenger (ﷺ) went to Quba, he used to visit Um Haram bint Milhan who would offer him
meals; and she was the wife of 'Ubada bin As-samit. One day he went to her house and she offered
him a meal, and after that he slept, and then woke up smiling. She (Um Haram) said, "I asked him,
'What makes you laugh, O Allah's Messenger (ﷺ)?' He said, 'Some people of my followers were displayed
before me as warriors fighting for Allah's Cause and sailing over this sea, kings on thrones,' or said,
'like kings on thrones.' (The narrator, 'Is-haq is in doubt about it.) I (Um Haram) said, 'O Allah's
Apostle! Invoke Allah that He may make me one of them.' He invoked (Allah) for her and then lay his
head and slept again and then woke up smiling. I asked, 'What makes you laugh, O Allah's Messenger (ﷺ)?'
He said, 'Some people of my followers were displayed before me as warriors fighting for Allah's
Cause and sailing over this sea, kings on the thrones,' or said, 'like kings on the thrones.' I (Um
Haram) said, 'O Allah's Messenger (ﷺ)! Invoke Allah that He may make me one of them.' He said, You will
be amongst the first ones." It is said that Um Haram sailed over the sea at the time of Muawiya, and
on coming out of the sea, she fell down from her riding animal and died.
ہم سے اسماعیل بن ابی اویس نے بیان کیا ، کہا کہ مجھ سے امام ما لک نے ، ان سے اسحاق بن عبداللہ بن ابی طلحہ نے اور ان سے انس بن مالک رضی اللہ عنہ نے ۔ عبداللہ بن ابی طلحہ نے ان سے سناوہ بیان کرتے تھے کہ
جب رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم قباء تشریف لے جاتے تھے تو ام حرام بنت ملحان رضی اللہ عنہا کے گھر بھی جاتے تھے اور وہ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کو کھانا کھلاتی تھیں پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم سو گئے اور بیدار ہوئے تو آپ ہنس رہے تھے ۔ ام حرام رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ میں نے پوچھا یا رسول اللہ ! آپ کس بات پر ہنس رہے ہیں ؟ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ میری امت کے کچھ لوگ اللہ کے راستے میں غزوہ کرتے ہوئے میرے سامنے ( خواب میں ) پیش کئے گئے ، جو اس سمندر کے اوپر ( کشتیوں میں ) سوار ہوں گے ( جنت میں وہ ایسے نظر آئے ) جیسے بادشاہ تخت پر ہوتے ہیں ، یا بیان کیا کہ بادشاہوں کی طرح تخت پر ۔ اسحاق کو ان لفظوں میں ذرا شبہ تھا ( ام حرام رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ ) میں نے عرض کیا آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم دعا کریں کہ اللہ مجھے بھی ان میں سے بنائے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے دعا کی پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اپنا سر رکھ کر سو گئے اور جب بیدا ر ہوئے تو ہنس رہے تھے ۔ میں نے کہا یا رسول اللہ ! آپ کس بات پر ہنس رہے ہیں ؟ فرمایا کہ میری امت کے کچھ لوگ اللہ کے راستہ میں غزوہ کرتے ہوئے میرے سامنے پیش کئے گئے جو اس سمند ر کے اوپر سوار ہوں گے جیسے بادشاہ تحت پر ہوتے ہیں یا مثل بادشاہوں کے تخت پر ۔ میں نے عرض کیا کہ اللہ سے میرے لئے دعا کیجئے کہ مجھے بھی ان میں سے کر دے ۔ آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا کہ تو اس گروہ کے سب سے پہلے لوگوں میں ہو گی چنانچہ ام حرام رضی اللہ عنہا نے ( معاویہ رضی اللہ عنہ کی شام پر گورنری کے زمانہ میں ) سمندری سفر کیا اور خشکی پر اترنے کے بعد اپنی سواری سے گر پڑیں اور وفات پا گئیں ۔
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘কুবা’ এর দিকে যখন যেতেন তখন প্রায়ই উম্মু হারাম বিনতে মিলহান (রাঃ) –এর ঘরে প্রবেশ করতেন এবং তিনি তাঁকে খানা খাওয়াতেন। তিনি ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) –এর স্ত্রী ছিলেন। একদিন তিনি তার ঘরে গেলে তাঁকে খাবার খাওয়ালেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানেই ঘুমালেন। কিছুক্ষণ পরে তিনি সজাগ হয়ে হাসতে লাগলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকে কিসে হাসাচ্ছে? তিনি বললেনঃ স্বপ্নে আমাকে আমার উম্মাতের আল্লাহ্র পথে জিহাদকারী কিছু সংখ্যক মুজাহিদ দেখানো হয়েছে, যারা এই বিস্তীর্ণ সমুদ্রের মাঝে বাদশাহ্দের মত সিংহাসনে আসীন। তখন তিনি বললেনঃ আপনি দু’আ করুন যেন আল্লাহ্ তা’আলা আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। তিনি সে দু’আ করলেন এবং বিছানায় মাথা রেখে আবার শুয়ে পরলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি আবার হাসতে হাসতে জাগ্রত হলেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকে কিসে হাসাচ্ছে? তিনি বললেনঃ (স্বপ্নে) আমাকে আমার উম্মাতের আল্লাহ্র পথে জিহাদকারী কিছু সংখ্যক মুজাহিদ দেখানো হয়েছে, যারা এই বিস্তীর্ণ সমুদ্রের মাঝে বাদশাহ্দের মত সিংহাসনে আসীন। তখন আবার আমি বললামঃ আপনি আল্লাহ্র কাছে দু’আ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের মধ্যে শামিল করে নেন। তিনি বললেনঃ তুমি প্রথম বাহিনীরই মধ্যে শামিল থাকবে। সুতরাং তিনি মু’আবিয়াহ (রাঃ) –এর আমলে সামুদ্রিক অভিযানে যান এবং অভিযান থেকে ফিরে এসে নিজের সওয়ারী থেকে পড়ে গিয়ে শাহাদাত বরণ করেন।[২৭৮৮, ২৭৮৯; মুসলিম ৩৩/৪৯, হাঃ ১৯১২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৪)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 299
Hadith 6284
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ لِبْسَتَيْنِ، وَعَنْ بَيْعَتَيْنِ اشْتِمَالِ الصَّمَّاءِ، وَالاِحْتِبَاءِ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ، لَيْسَ عَلَى فَرْجِ الإِنْسَانِ مِنْهُ شَىْءٌ، وَالْمُلاَمَسَةِ، وَالْمُنَابَذَةِ. تَابَعَهُ مَعْمَرٌ وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حَفْصَةَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُدَيْلٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ.
Narrated Abu Sa`id Al-Khudri:
The Prophet (ﷺ) forbade two kinds of dresses and two kinds of bargains; Ishtimal As-Samma and Al-
Ihtiba in one garment with no part of it covering one's private parts. (The two kinds of bargains were:)
Al-Mulamasa and Al-Munabadha.
ہم سے علی بن عبداللہ مدینی نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے سفیان ثوری نے بیان کیا ، ان سے زہری نے بیان کیا ، ان سے عطاء بن یزید لیثی نے اور ان سے حضرت ابو سعید خدری رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے دو طرح کے پہناوے سے اور دو طرح کی خریدوفروخت سے منع فرمایا تھا ۔ اشتمال صماء اور ایک کپڑے میں اس طرح احتباء کرنے سے کہ انسان کی شرمگاہ پر کوئی چیز نہ ہو اور ملامست اور منابذت سے ۔ اس روایت کی متابعت معمر ، محمد بن ابی حفصہ اور عبداللہ بن بدیل نے زہری سے کی ہے ۔
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’ রকমের লেবাস এবং দু’ ধরণের বিক্রয় নিষেধ করেছেন। ইশতিমালে সম্মা [১] এবং এক কাপড় পরে ইহতিবা [২] করতে নিষেধ করেছেন যাতে তার লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোন অংশ না থাকে। এবং মুলামাসা ও মুনাবাযা – বেচাকেনা থেকেও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 300
Hadith 6285
حَدَّثَنَا مُوسَى، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، حَدَّثَنَا فِرَاسٌ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ أُمُّ الْمُؤْمِنِينَ، قَالَتْ إِنَّا كُنَّا أَزْوَاجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عِنْدَهُ جَمِيعًا، لَمْ تُغَادَرْ مِنَّا وَاحِدَةٌ، فَأَقْبَلَتْ فَاطِمَةُ ـ عَلَيْهَا السَّلاَمُ ـ تَمْشِي، لاَ وَاللَّهِ مَا تَخْفَى مِشْيَتُهَا مِنْ مِشْيَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا رَآهَا رَحَّبَ قَالَ " مَرْحَبًا بِابْنَتِي ". ثُمَّ أَجْلَسَهَا عَنْ يَمِينِهِ أَوْ عَنْ شِمَالِهِ، ثُمَّ سَارَّهَا فَبَكَتْ بُكَاءً شَدِيدًا، فَلَمَّا رَأَى حُزْنَهَا سَارَّهَا الثَّانِيَةَ إِذَا هِيَ تَضْحَكُ. فَقُلْتُ لَهَا أَنَا مِنْ بَيْنِ نِسَائِهِ خَصَّكِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالسِّرِّ مِنْ بَيْنِنَا، ثُمَّ أَنْتِ تَبْكِينَ، فَلَمَّا قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَأَلْتُهَا عَمَّا سَارَّكِ قَالَتْ مَا كُنْتُ لأُفْشِيَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سِرَّهُ. فَلَمَّا تُوُفِّيَ قُلْتُ لَهَا عَزَمْتُ عَلَيْكِ بِمَا لِي عَلَيْكِ مِنَ الْحَقِّ لَمَّا أَخْبَرْتِنِي. قَالَتْ أَمَّا الآنَ فَنَعَمْ. فَأَخْبَرَتْنِي قَالَتْ أَمَّا حِينَ سَارَّنِي فِي الأَمْرِ الأَوَّلِ، فَإِنَّهُ أَخْبَرَنِي أَنَّ جِبْرِيلَ كَانَ يُعَارِضُهُ بِالْقُرْآنِ كُلَّ سَنَةٍ مَرَّةً " وَإِنَّهُ قَدْ عَارَضَنِي بِهِ الْعَامَ مَرَّتَيْنِ، وَلاَ أَرَى الأَجَلَ إِلاَّ قَدِ اقْتَرَبَ، فَاتَّقِي اللَّهَ وَاصْبِرِي، فَإِنِّي نِعْمَ السَّلَفُ أَنَا لَكَ ". قَالَتْ فَبَكَيْتُ بُكَائِي الَّذِي رَأَيْتِ، فَلَمَّا رَأَى جَزَعِي سَارَّنِي الثَّانِيَةَ قَالَ " يَا فَاطِمَةُ أَلاَ تَرْضَيْنَ أَنْ تَكُونِي سَيِّدَةَ نِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ ـ أَوْ ـ سَيِّدَةَ نِسَاءِ هَذِهِ الأُمَّةِ ".
Narrated `Aisha:
Mother of the Believers: We, the wives of the Prophet (ﷺ) were all sitting with the Prophet (ﷺ) and none of us
had left when Fatima came walking, and by Allah, her gait was very similar to that of Allah's Messenger (ﷺ)
.' When he saw her, he welcomed her, saying, "Welcome, O my daughter!" Then he made her sit on
his right or his left, confided something to her, whereupon she wept bitterly. When he noticed her
sorrow, he confided something else to her for the second time, and she started laughing. Only I from
among the Prophet's wives said to her, "(O Fatima), Allah's Messenger (ﷺ) selected you from among us for
the secret talk and still you weep?" When Allah's Messenger (ﷺ) got up (and went away), I asked her, "What
did he confide to you?" She said, "I wouldn't disclose the secrets of Allah's Messenger (ﷺ)" But when he died
I asked her, "I beseech you earnestly by what right I have on you, to tell me (that secret talk which the
Prophet had with you)" She said, "As you ask me now, yes, (I will tell you)." She informed me,
saying, "When he talked to me secretly the first time, he said that Gabriel used to review the Qur'an
with him once every year.
He added, 'But this year he reviewed it with me twice, and therefore I think that my time of death has
approached. So, be afraid of Allah, and be patient, for I am the best predecessor for you (in the
Hereafter).' " Fatima added, "So I wept as you (`Aisha) witnessed. And when the Prophet (ﷺ) saw me in
this sorrowful state, he confided the second secret to me saying, 'O Fatima! Will you not be pleased
that you will be chief of all the believing women (or chief of the women of this nation i.e. my
followers?")
ہم سے موسیٰ بن اسماعیل نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابو عوانہ وضاح نے ، کہا ہم سے فراس بن یحییٰ نے بیان کیا ، ان سے عامر شعبی نے ، ان سے مسروق نے کہ مجھ سے حضرت عائشہ رضی اللہ عنہا نے بیان کیا کہ
یہ تمام ازواج مطہرات ( حضو ر اکرم صلی اللہ علیہ وسلم کے مرض وفات میں ) آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے پاس تھیں ، کوئی وہاں سے نہیں ہٹا تھا کہ حضرت فاطمہ رضی اللہ عنہا چلتی ہوئی آئیں ۔ خدا کی قسم ان کی چال رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کی چال سے الگ نہیں تھی ( بلکہ بہت ہی مشابہ تھی ) جب حضور اکرم صلی اللہ علیہ وسلم نے انہیں دیکھا تو خوش آمدید کہا ۔ فرمایا بیٹی ! مرحبا ! پھر آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے اپنی دائیں طرف یا بائیں طرف انہیں بٹھایا ۔ اس کے بعد آہستہ سے ان سے کچھ کہا اور حضرت فاطمہ رضی اللہ عنہا بہت زیادہ رونے لگیں ۔ جب آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے ان کا غم دیکھا تو دوبارہ ان سے سرگوشی کی اس پر وہ ہنسنے لگیں ۔ تمام ازواج میں سے میں نے ان سے کہا کہ حضور اکرم صلی اللہ علیہ وسلم نے ہم میں صرف آپ کو سرگوشی کی خصوصیت بخشی ۔ پھر رونے لگیں ۔ جب آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اٹھے تو میں نے ان سے پوچھا کہ آپ کے کان میں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے کیا فرمایا تھا انہوں نے کہا کہ میں آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کا راز نہیں کھول سکتی ۔ پھر جب آپ کی وفات ہو گئی تو میں نے حضرت فاطمہ رضی اللہ عنہا سے کہا کہ میرا جو حق آپ پر ہے اس کا واسطہ دیتی ہوں کہ آپ مجھے وہ بات بتا دیں ۔ انہوں نے کہا کہ اب بتا سکتی ہوں چنانچہ انہوں نے مجھے بتایا کہ جب آنحضور صلی اللہ علیہ وسلم نے مجھ سے پہلی سرگوشی کی تھی تو فرمایا تھا کہ ” جبرائیل علیہ السلام ہر سال مجھ سے سال میں ایک مرتبہ دور کیا کرتے تھے لیکن اس سال مجھ سے انہوں نے دو مرتبہ دور کیا اور میرا خیال ہے کہ میری وفات کا وقت قریب ہے ، اللہ سے ڈرتی رہنا اور صبر کرنا کیونکہ میں تمہارے لئے ایک اچھا آگے جانے والا ہوں “ بیان کیا کہ اس وقت میرا رونا جو آپ نے دیکھا تھا اس کی وجہ یہی تھی ۔ جب آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم نے میری پریشانی دیکھی تو آپ نے دوبارہ مجھ سے سرگوشی کی ، فرمایا ” فاطمہ بیٹی ! کیا تم اس پر خوش نہیں ہو کہ جنت میں تم مومنوں کی عورتوں کی سردار ہو گی ، یا ( فرمایا کہ ) اس امت کی عورتوں کی سردارہو گی ۔ “
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ একবার আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর সব স্ত্রী তাঁর নিকট জমায়েত হয়েছিলাম। আমাদের একজনও অনুপস্থিত ছিলাম না। এমন সময় ফাতেমাহ (রাঃ) পায়ে হেঁটে আসছিলেন। আল্লাহ্র কসম! তাঁর হাঁটা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর হাঁটার মতই ছিল। তিনি যখন তাঁকে দেখলেন, তখন তিনি আমার মেয়ের আগমণ শুভ হোক বলে তাঁকে সম্বর্ধনা জানালেন। এরপর তিনি যখন তাঁকে নিজের ডান পাশে অথবা (রাবী বলেন) বাম পাশে বসালেন। তারপর তিনি তার সঙ্গে কানে-কানে কিছু কথা বললেন, তিনি (ফাতেমাহ) খুব অধিক কাঁদতে লাগলেন। এরপর তাঁকে চিন্তিত দেখে দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে তিনি কানে-কানে আরও কিছু কথা বললেন। তখন ফাতেমাহ (রাঃ) হাসতে লাগলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর স্ত্রীগণের মধ্য থেকে আমি বললামঃ আমাদের উপস্থিতিতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিশেষ করে আপনার সঙ্গে বিশেষ কী গোপনীয় কথা কানে-কানে বললেন, যার ফলে আপনি খুব কাঁদছিলেন? এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উঠে চলে গেলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, তিনি আপনাকে কানে-কানে কী বলেছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর ভেদ (গোপনীয় কথা) ফাঁস করবো না। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর মৃত্যু হল। তখন আমি তাঁকে বললামঃ আপনার উপর আমার যে দাবী আছে, আপনাকে আমি তার কসম দিয়ে বলছি যে, আপনি কি গোপনীয় কথাটি আমাকে জানাবেন না? তখন ফাতেমাহ (রাঃ) বললেনঃ হাঁ এখন আপনাকে জানাবো। সুতরাং তিনি আমাকে জানাতে গিয়ে বললেনঃ প্রথমবার তিনি আমার নিকট যে গোপন কথা বলেন, তা হলো এই যে, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, জিবরীল (‘আঃ) প্রতি বছর এসে পূর্ণ কুরআন একবার আমার নিকট পেশ করতেন। কিন্তু এ বছর তিনি এসে তা আমার কাছে দু’ বার পেশ করেছেন। এতে আমি ধারণা করছি যে, আমার চির বিদায়ের সময় সন্নিকট। সুতরাং তুমি আল্লাহ্কে ভয় করে চলবে এবং বিপদে ধৈর্য্যধারণ করবে। নিশ্চয়ই আমি তোমার জন্য উত্তম অগ্রগমনকারী। তখন আমি কাঁদলাম যা নিজেই দেখলেন। তারপর যখন আমাকে চিন্তিত দেখলেন, তখন দ্বিতীয়বার আমাকে কানে-কানে বললেনঃ তুমি জান্নাতের মুসলিম মহিলাদের অথবা এ উম্মাতের মহিলাদের নেত্রী হওয়াতে সন্তুষ্ট হবে না? (আমি তখন হাসলাম)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 301
Hadith 6287
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَبَّادُ بْنُ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْجِدِ مُسْتَلْقِيًا، وَاضِعًا إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الأُخْرَى.
Narrated the uncle of `Abbas bin Tamim:
I saw Allah's Messenger (ﷺ) lying on his back in the mosque and putting one of his legs over the other.
ہم سے علی بن عبداللہ مدینی نے بیان کیا ، کہا ہم سے سفیان ثوری نے بیان کیا ، کہا ہم سے زہری نے بیان کیا ، کہا کہ مجھے عباد بن تمیم نے خبر دی ، ان سے ان کے چچا نے بیان کیا کہ
میں نے رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کومسجد میں چت لیٹے دیکھا آپ ایک پاؤ ں دوسرے پر رکھے ہوئے تھے ۔
আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে মাসজিদে চিত হয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছি, তখন তাঁর এক পা অন্য পায়ের উপর রাখা ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৭
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 302
Hadith 6288
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ،. وَحَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، رضى الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" إِذَا كَانُوا ثَلاَثَةٌ فَلاَ يَتَنَاجَى اثْنَانِ دُونَ الثَّالِثِ ".
Narrated `Abdullah:
the Prophet (ﷺ) said "When three persons are together, then no two of them should hold secret counsel
excluding the third person."
ہم سے عبداللہ بن یوسف نے بیان کیا ، کہا ہم کو امام ما لک نے خبر دی ( دوسری سند ) حضرت امام بخاری نے کہا کہ ہم سے اسماعیل بن ابی اویس نے بیان کیا ، کہا کہ مجھ سے امام مالک نے بیان کیا ، ان سے نافع نے اور ان سے حضرت عبداللہ رضی اللہ عنہ نے کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جب تین آدمی ساتھ ہوں تو تیسرے ساتھی کو چھوڑ کر دو آپس میں کانا پھوسی نہ کریں ۔
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোথাও তিনজন থাকলে তৃতীয় জনকে বাদ দিয়ে দু’জনে মিলে চুপি চুপি কথা বলবে না।[মুসলিম পর্ব ৩৯/হাঃ ২১৮৩, আহমাদ ৪৬৮৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৮)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 303
Hadith 6289
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَبَّاحٍ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي قَالَ، سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، أَسَرَّ إِلَىَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم سِرًّا فَمَا أَخْبَرْتُ بِهِ أَحَدًا بَعْدَهُ، وَلَقَدْ سَأَلَتْنِي أُمُّ سُلَيْمٍ فَمَا أَخْبَرْتُهَا بِهِ.
Narrated Anas bin Malik:
The Prophet (ﷺ) confided to me a secret which I did not disclose to anybody after him. And Um Sulaim
asked me (about that secret) but I did not tell her.
ہم سے عبداللہ بن صباح نے بیان کیا ، کہا ہم سے معتمر بن سلیمان نے بیان کیا ، کہا کہ میں نے اپنے والد سے سنا کہ میں نے حضرت انس بن مالک رضی اللہ عنہ سے سنا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے مجھ سے ایک راز کی بات کہی تھی اور میں نے وہ راز کسی کو نہیں بتایا ( ان کی والدہ ) حضرت ام سلیم رضی اللہ عنہا نے بھی مجھ سے اس کے متعلق پوچھا لیکن میں نے انہیں بھی نہیں بتایا ۔
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাছে একটি বিষয় গোপনে বলেছিলেন। আমি তাঁর পরেও কাউকে তা জানাইনি। এটা সম্পর্কে উম্মু সুলায়ম (রাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন। কিন্তু আমি তাঁকেও বলিনি। [মুসলিম ৪৪/৩২, হাঃ ২৪৮২, আহমাদ ১৩২৯২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 304
Hadith 6290
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم {إِذَا كُنْتُمْ ثَلاَثَةً فَلاَ يَتَنَاجَى رَجُلاَنِ دُونَ الآخَرِ، حَتَّى تَخْتَلِطُوا بِالنَّاسِ، أَجْلَ أَنْ يُحْزِنَهُ}.
Narrated `Abdullah:
The Prophet (ﷺ) said, "When you are three persons sitting together, then no two of you should hold secret
counsel excluding the third person until you are with some other people too, for that would grieve
him."
ہم سے عثمان بن ابی شیبہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے جریر بن عبدالحمید نے بیان کیا ، ان سے منصور بن معتمر نے ، ان سے ابووائل نے اور ان سے حضرت عبداللہ بن مسعود رضی اللہ عنہما نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جب تین آدمی ہو تو تیسرے ساتھی کو چھوڑ کر تم آپس میں کانا پھونسی نہ کیا کرو ۔ اس لئے کہ لوگو ں کو رنج ہو گا البتہ اگر دوسرے آدمی بھی ہوں تو مضائقہ نہیں ۔
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোথাও তোমরা তিনজনে থাকলে একজনকে বাদ দিয়ে দু’জনে কানে-কানে কথা বলবে না। এতে তার মনে দুঃখ হবে। তোমরা পরস্পর মিশে গেলে তবে তা করাতে দোষ নেই।[মুসলিম ৩৯/১৫, হাঃ ২১৮৪, আহমাদ ৪৪২৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 305
Hadith 6291
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَسَمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا قِسْمَةً فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ إِنَّ هَذِهِ لَقِسْمَةٌ مَا أُرِيدَ بِهَا وَجْهُ اللَّهِ. قُلْتُ أَمَا وَاللَّهِ لآتِيَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَتَيْتُهُ وَهْوَ فِي مَلأٍ، فَسَارَرْتُهُ فَغَضِبَ حَتَّى احْمَرَّ وَجْهُهُ، ثُمَّ قَالَ
" رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَى مُوسَى، أُوذِيَ بِأَكْثَرَ مِنْ هَذَا فَصَبَرَ ".
Narrated `Abdullah:
One day the Prophet (ﷺ) divided and distributed something amongst the people whereupon an Ansari man
said, "In this division Allah's Countenance has not been sought." I said, "By Allah! I will go (and
inform) the Prophet." So I went to him while he was with a group of people, and I secretly informed
him of that, whereupon he became so angry that his face became red, and he then said, "May Allah
bestow His Mercy on Moses (for) he was hurt more than that, yet he remained patient."
ہم سے عبدان نے بیان کیا ، ان سے ابوحمزہ محمد بن میمون نے ، ان سے اعمش نے ، ان سے شقیق نے اور ان سے عبداللہ بن مسعود رضی اللہ عنہما نے کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے ایک مرتبہ کچھ مال تقسیم فرمایا اس پر انصار کے ایک شخص نے کہا کہ یہ ایسی تقسیم ہے جس سے اللہ کی خوشنودی مقصود نہ تھی میں نے کہا کہ ہاں ! اللہ کی قسم میں حضور اکرم صلی اللہ علیہ وسلم کی خدمت میں جاؤں گا ۔ چنانچہ میں گیا آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم اس وقت مجلس میں بیٹھے ہوئے تھے میں نے آنحضرت صلی اللہ علیہ وسلم کے کان میں چپکے سے یہ بات کہی تو آپ غصہ ہو گئے اور آپ کا چہرہ سرخ ہوگیاپھر آپ نے فرمایا کہ موسیٰ علیہ السلام پر اللہ کی رحمت ہو انہیں اس سے بھی زیادہ تکلیف پہنچا ئی گئی لیکن انہوں نے صبر کیا ( پس میں بھی صبر کروں گا )
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন কিছু মাল লোকজনকে বণ্টন করে দিলেন। তখন একজন আনসারী মন্তব্য করলেন যে, এ বাঁটোয়ারা এমন, যার মধ্যে আল্লাহ্র সন্তুষ্টির প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়নি। তখন আমি বললাম সাবধান! আল্লাহ্র কসম! আমি নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট গিয়ে এ কথাটা বলে দিব। এরপর আমি তাঁর নিকট গেলাম। কিন্তু তখন তিনি একদল সাহাবীর মধ্যে ছিলেন। তাই আমি কথাটা তাঁকে কানে-কানেই বললাম। তখন তিনি রেগে গেলেন। এমনকি তাঁর চেহারার রঙ লাল হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পরে তিনি বললেনঃ মূসা (‘আঃ)-এর উপর রহমত অবতীর্ণ হোক। তাঁকে এর চেয়ে অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি ধৈর্য্য অবলম্বন করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪১)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 306
Hadith 6292
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَس ٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ وَرَجُلٌ يُنَاجِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمَا زَالَ يُنَاجِيهِ حَتَّى نَامَ أَصْحَابُهُ، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى.
Narrated Anas:
The Iqama for the prayer was announced while a man was talking to Allah's Messenger (ﷺ) privately. He
continued talking in that way till the Prophet's companions slept, and afterwards the Prophet (ﷺ) got up
and offered the prayer with them.
ہم سے محمد بن بشار نے بیان کیا ، کہا ہم سے محمد بن جعفر نے بیان کیا ، ہم سے شعبہ نے بیان کیا ، ان سے عبد العزیز بن صہیب اور ان سے حضرت انس رضی اللہ عنہ نے بیان کیاکہ
نماز کی تکبیر کہی گئی اور ایک صحابی رسول صلی اللہ علیہ وسلم سے سرگوشی کرتے رہے ، پھر وہ دیر تک سرگوشی کرتے رہے یہاں تک کہ آپ کے صحابہ سونے لگے اس کے بعد آپ اٹھے اور نماز پڑھائی ۔
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ একবার সলাতের ইক্বামাত হয়ে গেলো, তখনও একজন লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে কানে-কানে কথা বলছিলেন এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে তিনি এভাবে আলাপ করতে থাকলেন। এমনকি তাঁর সঙ্গীগণ ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪২)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 307
Hadith 6293
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ {لاَ تَتْرُكُوا النَّارَ فِي بُيُوتِكُمْ حِينَ تَنَامُونَ}.
Narrated Salim's father:
The Prophet (ﷺ) said, "Do not keep the fire burning in your houses when you go to bed."
ہم سے ابونعیم نے بیان کیا ، کہا ہم سے سفیان بن عیینہ نے بیان کیا ، ان سے زہری نے ، ان سے سالم نے ، ان سے ان کے والد نے
اور ان سے نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جب سونے لگو تو گھر میں آگ نہ چھوڑو ۔
সালিম (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ সালিম (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যখন তোমরা ঘুমাবে তখন তোমাদের ঘরে আগুন রেখে ঘুমাবে না।[মুসলিম ৩৬/১২, হাঃ ২০১৫, আহমাদ ৪৫১৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৩)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 308
Hadith 6294
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى ـ رضى الله عنه ـ قَالَ احْتَرَقَ بَيْتٌ بِالْمَدِينَةِ عَلَى أَهْلِهِ مِنَ اللَّيْلِ، فَحُدِّثَ بِشَأْنِهِمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" إِنَّ هَذِهِ النَّارَ إِنَّمَا هِيَ عَدُوٌّ لَكُمْ، فَإِذَا نِمْتُمْ فَأَطْفِئُوهَا عَنْكُمْ ".
Narrated Abu Musa:
One night a house in Medina was burnt with its occupants. The Prophet (ﷺ) spoke about them, saying,
"This fire is indeed your enemy, so whenever you go to bed, put it out to protect yourselves."
ہم سے محمد بن علاء نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ابواسامہ نے بیان کیا ، ہم سے بریدبن عبداللہ نے بیان کیا ، ان سے ابو بر دہ نے بیان کیا اور ان سے حضرت ابو مو سیٰ اشعری رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
مدینہ منورہ میں ایک گھر رات کے وقت جل گیا ۔ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم سے اس کے متعلق کہا گیا تو آپ نے فر مایا کہ آ گ تمہاری دشمن ہے اس لئے جب سو نے لگو تو اسے بجھا دیا کرو ۔
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার রাত্রি কালে মাদীনাহ্র এক ঘরে আগুন লেগে ঘরের লোকজনসমূহ পুড়ে গেল। এদের অবস্থা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে অবহিত করা হল। তিনি বললেনঃ এ আগুন নিঃসন্দেহে তোমাদের চরম শত্রু। সুতরাং তোমরা যখন ঘুমাতে যাবে, তখন তা নিভিয়ে দিবে। [মুসলিম ৩৬/১২, হাঃ ১৬, আহমাদ ১৯৫৮৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৪)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 309
Hadith 6295
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ كَثِيرٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
" خَمِّرُوا الآنِيَةَ وَأَجِيفُوا الأَبْوَابَ، وَأَطْفِئُوا الْمَصَابِيحَ، فَإِنَّ الْفُوَيْسِقَةَ رُبَّمَا جَرَّتِ الْفَتِيلَةَ فَأَحْرَقَتْ أَهْلَ الْبَيْتِ ".
Narrated Jabir bin `Abdullah:
Allah's Messenger (ﷺ) said, "(At bedtime) cover the utensils, close the doors, and put out the lights, lest the
evil creature (the rat) should pull away the wick and thus burn the people of the house."
ہم سے قتیبہ بن سعید نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے حماد بن زید نے بیان کیا ، ان سے کثیر بن شنطیرنے بیان کیا ، ان سے عطاء بن ابی رباح نے بیان کیا ، ان سے حضرت جابر بن عبداللہ رضی اللہ عنہما نے بیان کیا ، کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فر مایا ( سو تے وقت ) بر تن ڈھک لیا کرو ورنہ دروازے بند کر لیا کرو اور چراغ بجھا لیا کرو کیو نکہ یہ چوہا بعض اوقات چراغ کی بتی کھینچ لیتا ہے اور گھر والوں کو جلا دیتا ہے ۔
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ তোমাদের পানাহারের পাত্রগুলো ঢেকে রাখবে। আর ঘুমাবার সময় (ঘরের) দরজাগুলো বন্ধ করবে এবং বাতিগুলো নিভিয়ে ফেলবে। কারণ প্রায়ই দুষ্ট ইঁদুরগুলো জ্বালানো বাতির ফিতাগুলো টেনে নিয়ে যায় এবং ঘরের লোকজনকে পুড়িয়ে মারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৫)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 310
Hadith 6296
حَدَّثَنَا حَسَّانُ بْنُ أَبِي عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَطْفِئُوا الْمَصَابِيحَ بِاللَّيْلِ إِذَا رَقَدْتُمْ، وَغَلِّقُوا الأَبْوَابَ، وَأَوْكُوا الأَسْقِيَةَ، وَخَمِّرُوا الطَّعَامَ وَالشَّرَابَ ". ـ قَالَ هَمَّامٌ وَأَحْسِبُهُ قَالَ ـ "وَلَوْ بِعُودٍ يَعْرُضُهُ"
Narrated Jabir:
Allah s Apostle said, "When you intend going to bed at night, put out the lights, close the doors, tie
the mouths of the water skins, and cover your food and drinks." Hamrnam said, "I think he (the other
narrator) added, 'even with piece of wood across the utensil.'
ہم سے حسان بن ابی عباد نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ہمام بن یحییٰ نے بیان کیا ، ان سے عطاء بن ابی رباح نے اور ان سے حضرت جابر رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا جب رات میں سونے لگو تو چراغ بجھا دیا کرو اور دروازے بند کر لیا کرو اور مشکیزوں کا منہ باندھ دیا کرو اور کھانے پینے کی چیزیں ڈھک دیا کرو ۔ حماد نے کہا کہ میرا خیال ہے کہ یہ بھی فرمایا کہ ” اگرچہ ایک لکڑی سے ہی ہو “
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ রাতে যখন তোমরা ঘুমাতে যাবে, তখন বাতি নিভিয়ে দেবে, দরজা বন্ধ করবে, খাদ্য ও পানীয় দ্রব্যাদি ঢেকে রাখবে এবং মশ্কের মুখ বেঁধে রাখবে। হাম্মাম বলেনঃ এক টুকরা কাঠ দিয়ে হলেও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৬)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 311
Hadith 6297
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ قُزَعَةَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
" الْفِطْرَةُ خَمْسٌ الْخِتَانُ، وَالاِسْتِحْدَادُ، وَنَتْفُ الإِبْطِ، وَقَصُّ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمُ الأَظْفَارِ ".
Narrated Abu Huraira:
The Prophet (ﷺ) said "Five things are in accordance with Al Fitra (i.e. the tradition of prophets): to be
circumcised, to shave the pelvic region, to pull out the hair of the armpits, to cut short the moustaches,
and to clip the nails.'
ہم سے یحییٰ بن قزعہ نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم سے ابراہیم بن سعد نے بیان کیا ، ان سے ابن شہاب نے ، ان سے سعید بن مسیب نے اور ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا پانچ چیزیں فطرت سے ہیں ، ختنہ کرنا ، زیرناف کے بال بنانا ، بغل کے بال صاف کرنا ، مونچھ چھوٹی کرانا اور ناخن کاٹنا ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ মানুষের স্বভাবগত বিষয় হলো পাঁচটিঃ খাত্না করা, নাভির নীচের পশম কামানো, বগলের পশম উপড়ে ফেলা, গোফ ছাঁটা এবং (অতিরিক্ত) নখ কাটা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৭)
Allah's Messenger (ﷺ) said "The Prophet) Abraham circumcised himself after
he had passed the age of eighty years and he circumcised himself with
an adze."
ہم سے ابو الیمان نے بیان کیا ، انہوں نے کہا ہم کو شعیب بن ابی حمزہ نے خبر دی ، انہوں نے کہا ہم سے ابوالزناد نے بیان کیا ، ان سے اعرج نے بیان کیا اور ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا حضرت ابراہیم علیہ السلام نے اسی ( 80 ) سال کی عمر میں ختنہ کرایا اور آپ نے قدوم ( تخفیف کے ساتھ ) ( کلہاڑی ) سے ختنہ کیا ۔ ہم سے قتیبہ نے بیان کیا ، کہا ہم سے مغیرہ نے بیان کیا اور ان سے بو الزناد نے بالقدوم ( تشدید کے ساتھ بیان کیا )
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ ইব্রাহীম (আঃ) আশি বছর বয়সের পর ‘কাদূম’ নামক স্থানে নিজেই নিজের খাত্না করেন।
কুতাইবাহ (রহঃ)আবুষ যিনাদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘কাদ্দুম’ একটি জায়গার নাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৪, ৫৮৫৩ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭১৮)
Ibn 'Abbas was asked, "How old were you when
the Prophet (ﷺ) died?" He replied. "At that time I had been circumcised."
At that time, people did not circumcise the boys till they attained
the age of puberty. Sa'id bin Jubair said, "Ibn 'Abbas said, 'When the
Prophet died, I had already been circumcised. "
ہم سے محمد بن عبد الرحیم نے بیان کیا ، کہا ہم کو عباد بن موسیٰ نے خبر دی ، کہا ہم سے اسماعیل بن جعفر نے بیان کیا ، کہا ہم سے اسرائیل نے ، ان سے ابواسحاق نے ، ان سے سعید بن جبیر نے کہ
حضرت ابن عباس رضی اللہ عنہما سے پوچھا گیا کہ جب نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی وفات ہوئی تو آپ کی عمر کیا تھی ؟ کہا کہ ان دنوں میرا ختنہ ہو چکا تھا اور عرب لوگوں کی عادت تھی جب تک لڑکا جوانی کے قریب نہ ہوتا اس کا ختنہ نہ کرتے تھے
সা’ঈদ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি [সা’ঈদ ইবনু যুবায়র (রাঃ)] আরও বলেনঃ তাদের নিয়ম ছিল যে, সাবালক না হওয়া পর্যন্ত তারা খাত্না করতেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৯)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 313
Hadith 6300
وَقَالَ ابْنُ إِدْرِيسَ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قُبِضَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا خَتِينٌ.
Sa'id ibn Jubair said, "Ibn 'Abbas said, 'When the Prophet (ﷺ) died, I had already been circumcised.' "
اور عبداللہ ابن ادریس بن یزید نے اپنے والد سے بیان کیا ، ان سے ابواسحاق نے ، ان سے سعید بن جبیر نے اور ان سے حضرت ابن عباس رضی اللہ عنہما نے کہ
جب نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی وفات ہوئی تو میرا ختنہ ہو چکا تھا ۔
সা’ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) - কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- এর ওফাতের সময় আপনি বয়সে কার মত ছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি তখন খাত্নাকৃত ছিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৯)
Allah's Messenger (ﷺ) said, "Whoever among you takes an oath wherein he says, 'By Al-Lat and Al-`Uzza,'
names of two Idols worshipped by the Pagans, he should say, 'None has the right to be worshipped but
Allah; And whoever says to his friend, 'Come, let me gamble with you ! He should give something in
charity. " (See Hadith No. 645)
ہم سے یحییٰ بن بکیر نے بیان کیا ، کہا ہم سے لیث بن سعد نے بیان کیا ، ان سے عقیل نے ، ان سے ابن شہاب نے بیان کیا ، کہا کہ مجھے حمید بن عبدالرحمٰن نے بیان کیا اور ان سے حضرت ابوہریرہ رضی اللہ عنہ نے بیان کیا کہ
رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم نے فرمایا تم میں سے جس نے قسم کھائی اور کہا کہ ” لات وعزیٰ کی قسم ، تو پھر وہ لا الٰہ الا اللہ کہے اور جس نے اپنے ساتھی سے کہا کہ آؤ جوا کھیلیں تو اسے صدقہ کر دینا چاہئے ۔
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি শপথ করে এবং তার শপথে বলে লাত ও উয্যার শপথ, তা হলে সে যেন لاَ إِلٰهَ إِلاَّاللهُ বলে, আর যে তার বন্ধুকে বলেঃ এসো আমি তোমার সাথে জুয়া খেলবো সে যেন সদাকাহ করে। আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৫০)
USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 74, Hadith 314
Hadith 6302
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ ـ هُوَ ابْنُ سَعِيدٍ ـ عَنْ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ رَأَيْتُنِي مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بَنَيْتُ بِيَدِي بَيْتًا، يُكِنُّنِي مِنَ الْمَطَرِ، وَيُظِلُّنِي مِنَ الشَّمْسِ، مَا أَعَانَنِي عَلَيْهِ أَحَدٌ مِنْ خَلْقِ اللَّهِ.
Narrated Ibn `Umar:
During the life-time of the Prophet (ﷺ) I built a house with my own hands so that it might protect me from
the rain and shade me from the sun; and none of Allah's creatures assisted me in building it.
ہم سے ابونعیم نے بیان کیا ، کہا ہم سے اسحاق نے بیان کیا وہ سعید کے بیٹے ہیں ، ان سے سعید نے اور ان سے حضرت ابن عباس رضی اللہ عنہما نے بیان کیاکہ
نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کے زمانہ میں اپنے ہاتھوں سے ایک گھر بنایا تاکہ بارش سے حفاظت رہے اور دھوپ سے سایہ حاصل ہواللہ کی مخلوق میں سے کسی نے اس کام میں میری مدد نہیں کی ۔ معلوم ہوا کہ ضرورت کے لائق گھر بنانا درست ہے ۔
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আমার খেয়াল হলো যে, আমি নিজ হাতে আল্লাহ্র কোন সৃষ্টির সাহায্য ব্যতীত এমন একটা ঘর বানিয়ে নেই, যা আমাকে বৃষ্টি থেকে রক্ষা করবে এবং আমাকে রোদ থেকে ছায়া দিবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৫১)
Ibn `Umar said, "By Allah, I have not put a brick over a brick (i.e. constructed a building) or planted
any date-palm tree since the death of the Prophet." Sufyan (the sub narrator) said, "I told this narration
(of Ibn `Umar) to one of his (Ibn `Umar's) relatives, and he said, 'By Allah, he did build (something.'
"Sufyan added, "I said, 'He must have said (the above narration) before he built."
ہم سے علی بن عبداللہ مدینی نے بیان کیا ، کہا ہم سے ابوسفیان ثوری نے ، ان سے عمرو بن نشارنے اور ان سے ابن عمر رضی اللہ عنہما نے کہا کہ
واللہ نبی کریم صلی اللہ علیہ وسلم کی وفات کے بعد نہ میں نے کوئی اینٹ کسی اینٹ پر رکھی اور نہ کوئی باغ لگایا ۔ سفیان نے بیان کیا کہ جب میں نے اس کا ذکر ابن عمر رضی اللہ عنہما کے بعض گھرانوں کے سامنے کیا تو انہوں نے کہا کہ اللہ کی قسم انہوں نے گھر بنایا تھا ۔ سفیان نے بیان کیا کہ میں نے کہا پھر یہ بات ابن عمر رضی اللہ عنہما نے گھر بنانے سے پہلے کہی ہو گی ۔
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বর্ণনা করেন। আল্লাহ্র কসম! আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর পর থেকে এ পর্যন্ত কোন ইটের উপর ইট রাখিনি। (পাকা ঘর নির্মাণ করিনি) আমি কোন খেজুরের চারা লাগাইনি। সুফ্ইয়ান (রাবী) বর্ণনা করেন, আমি এ হাদীসটি তাঁর পরিবারের এক লোকের কাছে উল্লেখ করলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! তিনি তো নিশ্চয়ই পাকা ঘর বানিয়েছেন। সুফ্ইয়ান বলেন, তখন আমি বললাম, তা হলে সম্ভবতঃ এ হাদীসটি তাঁর পাকা ঘর বানানোর আগেকার হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৫২)